শীর্ষ সংবাদ

মুজিববর্ষের নামে যেন চাঁদাবাজির দোকান না হয়:সেতুমন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার(১৮ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজন ‘মুজিববর্ষ’কে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির মতো কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না বলে দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, ‘আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা একটা কথা পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, মুজিববর্ষ উদযাপন করবেন একটা নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে। মুজিববর্ষ পালন করার নামে কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি সহ্য করা হবে না। নেত্রী স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, মুজিববর্ষের নামে যে তোড়জোড় দেখছি, চাঁদাবাজির দোকান যেন না হয়। বঙ্গবন্ধুকে তাহলে আরও ছোট করা হবে।’ আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে খুলনা বিভাগীয় আওয়ামী লীগের যৌথসভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় নেতাকর্মীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে সততার আলোকে নিজেকে পরিশুদ্ধভাবে বিকশিত হওয়ার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। এসব চাঁদাবাজির দোকান খুলে বঙ্গবন্ধুর মহিমাকে বড় করা যাবে না।কাজেই এ বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, জেলায় জেলায় আপনারা যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, দলীয় ও সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আপনাদের প্রোগ্রাম সাজাতে হবে।যত্রতত্র চাঁদাবাজি করে বঙ্গবন্ধুর নামে মুজিববর্ষের একটা দোকান খোলা হবে, এটা কেউ অ্যালাউ করবেন না। কোনো অবস্থায় অনিয়ম-বিশৃঙ্খলাকে মদদ দেয়া যাবে না। যারা এগুলো করবে তাদের তৎপরতা বন্ধ করে দিতে হবে’ বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আগামী এপ্রিল থেকে দলের সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করার কথা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যেখানে কমিটি হয়ে গেছে সেসব জায়গায় কমিটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ করতে হবে। কমিটিতে নিজের দল ভারী করতে ত্যাগীদের উপেক্ষা না করতে এবং সুবিধাবাদীদের দলে না ভেড়াতে সতর্ক করেন তিনি। সেতুমন্ত্রী জানান,ত্যাগী ও যোগ্যদের দলে পদ দেবেন। সংগঠনের স্বার্থ দেখবেন। সুবিধাবাদীদের বিষয়ে নজর রাখতে হবে। দলের অভ্যন্তরে নিজেদের মধ্যে বিভেদ বাড়িয়ে দলকে দুর্বল করা যাবে না। সেটি দল ও সংগঠনের জন্য ভালো হবে না। দল বিতর্কিত হয় এমন কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। দলের মধ্যে বিভেদ জিইয়ে রেখে দলকে শক্তিশালী করা যাবে না। নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নের জন্য দলকে শক্তিশালী করতে হবে। দল শক্তিশালী হলে সরকার শক্তিশালী হবে।আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকসহ খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক জেলার শীর্ষ নেতারা উপস্থিতি ছিলেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে ওবায়দুল কাদেরকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফোনের প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব আমাকে ফোন করেছেন। ফোন করে অনুরোধ করেছেন বেগম জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীল সঙ্গে একটু কথা বলার জন্য। আমাকে তিনি বলেছেন; আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি যেন জানাই। অসত্য কথা আমি কেন বলব?’ ‘তিনি (মির্জা ফখরুল) আমাকে অনুরোধ করেছেন। এখন তিনি কি প্রমাণ করতে চান যে তিনি আমাকে অনুরোধ করেননি? তাহলে কিন্তু প্রমাণ দিয়ে দেব। কারণ টেলিফোনে যে সংলাপ সেটি তো আর গোপন থাকবে না। এটা বের করা যাবে। ফোনে কথা বললে এটা কি গোপন রাখা যাবে? এটার রেকর্ড আছে না? আমি তাকে ছোট করতে চাই না।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর না কি এক জায়গায় বলেছেন, আমাকে ফোন দেননি। তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সেটির রেকর্ড আছে। আমি আর নিচে যেতে চাই না। উনি নিজেকে কেন নিচে নিয়ে যাচ্ছেন?’তারা খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করে পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে যা করছে, তাদের মহাসচিব যা করছে; এটা আসলে তারা বেগম জিয়াকে মুক্তি দেয়ার চেয়েও তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যতটা না ব্যাকুল তার চেয়ে ব্যাকুল রাজনীতিক ইস্যু নিয়ে, রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিএনপি নাটক করছে, রাজনীতি করে যাচ্ছে।’ বয়স বিবেচনায় খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা যেমন থাকার কথা তেমনই আছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব ঝানু রাজনীতিক হতে পারেন, কিন্তু তিনি কি ঝানু চিকিৎসক? বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা কী তিনি সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেন? চিকিৎসকরা বলছেন, বেগম জিয়ার অবস্থা বার্ধক্যের কারণে যেই অবস্থানে থাকার কথা সেই অবস্থানে আছেন। তরুণ-তরুণীর মতো শারীরিক অবস্থা তার নেই। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা যা থাকার তাই আছে। কোনো প্রকার অবনতি হচ্ছে না। শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসা তাকে দিচ্ছেন।খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিএনপি ‘নাটক করছে’ মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন করে তারা ক্ষান্ত হয়নি। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে তারা ক্ষান্ত হয়নি। নানামুখী ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। আজকে বেগম জিয়াকে কেন্দ্র করে তারা নতুন নতুন ইস্যু খোঁজার চেষ্টা করছে। আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে তারা সরকার হঠানোর জন্য সরকারের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র করছে। বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে তারা আজকে নতুন নতুন নাটক করছে।’ দুর্নীতির মামলায় কারান্তরীণ খালেদা জিয়ার প্যারোলের জন্য আবেদন না করায় তার মুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তিযুক্ত কারণগুলো বিবেচনার অবকাশ নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে তার দল ও পরিবার রাজনৈতিক ফায়দা তোলার দিকে বেশি নজর দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘ফখরুল সাহেব (বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) একবার বলেন বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা খারাপ, তিনি মরণের পাড়ে। আবার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বেগম জিয়াকে মানবিক কারণে মুক্তি দেয়া।…তার প্যারোল..জাতীয় বিষয়ও আছে। প্যারোল দিতে গেলে একজন বন্দিকে…বন্দির চেয়েও বড় কথা তিনি কনভিক্টেট প্রিজনার। কনভিক্টেট প্রিজনারকেও প্যারোলে মুক্তি দেয়ার নিয়ম আছে।’ ‘তারা প্যারোলের আবেদনই করেনি। কাজেই সেই নিয়মটি আছে কি না, যুক্তিযুক্ত কোনো কারণ আছে কি না, তাকে মুক্তি দেয়ার, সেটা বিবেচনার কোনো অবকাশ নেই’,- বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার। বেগম জিয়ার মামলা দুর্নীতির মামলা। সরকার কীভাবে মুক্তি দেবে? যদি রাজনৈতিক মামলা হতো তাহলে রাজনৈতিক বিবেচনায় মুক্তির প্রশ্ন ছিল। কিন্তু যেহেতু এই মামলা রাজনৈতিক নয়। এই মামলা দুর্নীতির মামলা। আর এই মামলা এই সরকারও রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে হেয় করার জন্য রুজু করেছে, এমন নয়। মামলা করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেই মামলায় তিনি হাজিরা না দিতে দিতে, গড়াতে গড়াতে, তাদের নানান কারসাজি এই মামলা এই অবস্থায় এসেছে।

আমি মিথ্যাচার, অপরাজনীতি ও ষড়যন্ত্রের শিকার: চসিক মেয়র নাছির

আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে‘হতাশ, ক্ষুব্ধ কিংবা নিরাশ নয়’দাবি করে বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির বলেন তিনি দলীয় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।নৌকার এই মেয়রের দাবি, তিনি মিথ্যাচার, অপরাজনীতি, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার। আজ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগেরও সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদের দাবি, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে ইবাদত হিসেবে নিয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার পর প্রতিবাদ করেছেন।’ এছাড়াও তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, চট্টগ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিবিরমুক্ত করার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু রাজনীতি করতে গিয়ে আলোচনা-সমালোচনার শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করার পরও জাতির জনকের খুনিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জড়িয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, অপপ্রচার, অপরাজনীতি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে নাছির বলেন, ‘আমার কাছে মেয়র পদটা বড় নয়। রাজনীতিটা বড়। কেউ যদি এসে আমাকে বলতেন, মেয়র পদ থেকে সরে যাও, আমি ছেড়ে দিতাম।’

মুজিববর্ষ উপলক্ষে চলতি মাসেরই উদ্বোধন বোয়ালখালীতে ‘বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র-২’।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে চলতি মাসের শেষের দিকে উদ্বোধন বোয়ালখালী কানুনগোপাড়ায় ‘বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র-২’। চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ২৪ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহে নতুনমাত্রায় যোগ হচ্ছে কানুনগোপাড়ায় নির্মিত ‘বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র-২’। ১০ এমভিএ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এ উপকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে।মুজিববর্ষ উপলক্ষে চলতি মাসের শেষের দিকে উদ্বোধন হতে পারে এ উপকেন্দ্রটি। ২০১৮ সালের শেষের দিকে এ উপকেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলো পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। জানা গেছে, ২০১৬ সালে ১৩ আগস্ট চট্টগ্রামের প্রথম উপজেলা হিসেবে বোয়ালখালীকে শতভাগ বিদ্যুতায়িত এলাকা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপজেলায় চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতায় গ্রাহক রয়েছেন ৬৬ হাজার। দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১৮ মেগাওয়াট। শিকলবাহা উপকেন্দ্র থেকে এ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ফলে মিলতো না চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ। যান্ত্রিক ত্রুটি ও অন্যান্য বিপর্যয়ে বিঘ্ন ঘটতো বোয়ালখালী উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহে। উপজেলার আরাকান সড়কে পাশে গোমদণ্ডী ফুলতল এলাকায় ১০ এমভিএ উপকেন্দ্র থাকলেও তা চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহে কুলিয়ে ওঠতো না। পরবর্তী এ উপকেন্দ্রে আরো ধারণ ক্ষমতা ১৫ এমভিএ উন্নীত করা হয়। এ উপজেলায় শিল্পকারখানা ও আবাসন গড়ে ওঠার ফলে দিনদিন বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েই চলেছে। প্রয়োজন হয়ে পড়ে আরো কয়েকটি উপকেন্দ্রের। গ্রাহক সন্তুষ্টির লক্ষ্যে উপজেলার টি.কে পেপার এন্ড কেমিক্যাল ইন্ড্রাস্টিজের নিজস্ব উপকেন্দ্র থেকেও বিদ্যুৎ নেওয়া হচ্ছে। উপজেলার পূর্বাঞ্চলে (শ্রীপুর-খরণদ্বীপ, আমুচিয়া ও কড়লডেঙ্গা ইউনিয়ন) বিদ্যুৎ সরবরাহে লো ভোল্টেজ দেখা দিতো। এছাড়া প্রায় লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েন ওই অঞ্চলের গ্রাহকরা। এ সমস্যা নিরসনে কানুনগোপাড়া এলাকায় উপকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। বোয়ালখালী উপজেলার গ্রাহক সেবার মান বাড়ানো ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যা নিরসনে ১০ এমভিএ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কানুনগোপাড়ায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রটি ‘১৫লক্ষ গ্রাহক সংযোগ প্রকল্প’র আওতায় নির্মাণ করা হয়েছে।প্রায় ১২-১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ কেন্দ্রটি মুজিববর্ষ উপলক্ষে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে বা মার্চ মাসের ১ম সপ্তাহে উদ্বোধন হতে পারে। এলাকা পরিচালক মো. আশরাফ উদ্দিন কাজল বলেন, বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সরবরাহে যে সমস্যা ছিলো তা আপাততঃ নিরসন হয়েছে। তবে কালুরঘাটে সড়ক সেতু নির্মিত হলে এ এলাকায় আরো শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, হবে আবাসনও। ফলে বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমান্বয়ে বাড়বে। সেই লক্ষ্যে আরো কয়েকটি উপকেন্দ্রসহ আধুনিক সরঞ্জামে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে। , শিকলবাহা উপকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ বোয়ালখালীতে আসে। তবে সেই বিদ্যুৎ ধারণ করার মতো উপকেন্দ্র বোয়ালখালীতে ছিলো না। পূর্বাঞ্চলে সেই বিদ্যুৎ পৌঁছাতে গিয়ে লো ভোল্টেজ হয়ে পড়তো। এছাড়া প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যেতো। কানুনগোপাড়া উপকেন্দ্র নির্মাণের ফলে এ সমস্যার অনেকটাই নিরসন হবে। তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এ বছরকে ‘সেবা বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। মুজিববর্ষে এ উপকেন্দ্র বোয়ালখালীবাসীর জন্য একটি বড় পাওয়া।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে একনেকে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ২৯তম সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ১৩ হাজার ৬৩৯ কোটি ১ লাখ টাকা খরচে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদন দেয়া প্রকল্পগুলোতে সরকার দেবে ৮ হাজার ৮৮৬ কোটি ৪৪ লাখ, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২৯৩ কোটি ১৬ লাখ এবং বৈদেশিক ঋণ ৪ হাজার ৪৫৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তিনটি প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে ‘নোয়াখালী জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হাজী কামাল উদ্দীন সড়ক (বেগমগঞ্জের গ্লোব ফ্যাক্টরি হতে কবিরহাটের ফলাহারী পর্যন্ত) (জেড-১৪৫৩) উন্নয়ন’ প্রকল্পে খরচ হবে ২৮২ কোটি ১১ লাখ টাকা। ‘আনোয়ারা উপজেলা সংযোগ সড়কসহ কর্ণফুলী টানেল সংযোগ মড়ককে চারলেনে উন্নীতকরণ (শিকলবাহা-আনোয়ারা সড়ক)’ প্রকল্পে ৪০৭ কোটি ৮ লাখ টাকা খরচ হবে। আর ১ হাজার ৬৮২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা খরচে ‘শরীয়তপুর-জাজিরা-নাওডোবা (পদ্মা ব্রিজ এপ্রোচ) সড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ‘পাটুরিয়া এবং দৌলতদিয়ায় আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর আধুনিকায়ন’ প্রকল্পে ১ হাজার ৩৫১ কোটি ৭০ লাখ টাকা খরচ হবে। অন্য প্রকল্পটি হলো ৬ হাজার ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা খরচে ‘মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্প। ১২৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা খরচে ‘বিলুপ্ত ছিটমহল ও নদী বিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন’ প্রকল্প এবং ১১৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা খরচে ‘হাওর অঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন’ নামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া সভায় ২ হাজার ৯৩১ কোটি ৬২ লাখ খরচে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘রাজশাহী জেলার চারঘাট ও বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর বাম তীরের স্থাপনাসমূহ নদী ভাঙন হতে রক্ষা’ প্রকল্প এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৭২২ কোটি ২৪ লাখ টাকা খরচে ‘রাজশাহী জেলার চারঘাট ও বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর বাম তীরের স্থানসমূহ নদী ভাঙন হতে রক্ষা’ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

রেলের জায়গায় বেসরকারি হাসপাতাল মেনে নেবে না চট্টগ্রামবাসী

নগরীর সিআরবিতে রেলওয়ের জায়গায় বেসরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত চট্টগ্রামবাসী কোনো ভাবেই বাস্তবায়ন করতে দেবে না। রেলওয়ের ওই জায়গায় সরকারি উদ্যোগে বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করতে হবে। চারটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। রেলওয়ের জায়গায় বেসরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করে জনস্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কমিটি, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ-চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগ এবং গণ অধিকার চর্চা কেন্দ্র। আয়োজক চার সংগঠন ছাড়াও আরো বেশ কয়টি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন। পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ-চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. এ কিউ এম সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে মূল বক্তা ছিলেন জনস্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কমিটির আহবায়ক মুক্তিযাদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান। জনস্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ডা. সুশান্ত বড়ুয়ার সঞ্চালনায় সমাবেশে পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম নাগরিক উদ্যোগের আহ্বায়ক সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক ও আবৃত্তি শিল্পী রাশেদ হাসান, গণ অধিকার চর্চা কেন্দ্রের সচিব মশিউর রহমান, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভানেত্রী নূর জাহান বেগম, বাসদ চট্টগ্রাম জেলার সদস্য মহিন উদ্দিন, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসান মারুফ রুমি,গণজাগরণ মঞ্চের সমন্বয়ক শরিফ চৌহান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম শহরে জায়গার অভাবে যেখানে সরকারি বিশেষায়িত একটি হাসপাতাল হচ্ছে না, সেখানে রেলওয়ের (সরকারি) বিশাল আয়তনের (৬ একর) জমি দিয়ে দেয়া হচ্ছে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে। তারা সেখানে বড় হাসপাতাল করবে, মেডিকেল কলেজ করবে। তারা সেটা করবে ব্যবসার উদ্দেশ্যেই। এতে সাধারণ মানুষ সরকারি সুবিধায় স্বাস্থ্যসেবা পাবে না। আকাশচুম্বি ফি দিয়ে সাধারণ মানুষকে এই সেবা কিনে নিতে হবে। বেসরকারি পর্যায়ে চট্টগ্রামে বড় হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান হোক, তাতে আমাদের (চট্টগ্রামবাসীর) আপত্তি নেই। কিন্তু সরকারি জায়গায় কোনো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা করার সুযোগ করে দেয়া জনস্বার্থ বিরোধী। তাই রেলওয়ের ওই জমিতে বেসরকারি কোনো স্থাপনা চট্টগ্রামের মানুষ মেনে নেবে না। সরকারকে অবিলম্বে জনস্বার্থ বিরোধী এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে এবং রেলওয়ের ওই জমিতে সরকারি উদ্যোগেই বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করতে হবে। সরকারকে দ্রুত এই দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, কয়েকবছর আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে চট্টগ্রামের মানুষের বিরোধীতার মুখে সরকার এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে আলাদা একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছে। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ। এবারও সরকারি জায়গা একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দেয়ার গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। চট্টগ্রামের গণমানুষের আকাঙ্খা অনুযায়ী রেলওয়ের ওই জায়গায় সরকারি উদ্যোগে বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানান বক্তারা। অন্যথা, আরো বৃহৎ পরিসরে কর্মসূচি দেয়া হবে। আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। গণবিরোধী এ সিদ্ধান্ত কোনো ভাবেই বাস্তবায়ন হতে দেয়া হবে না। প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া এ আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন। অন্যান্যের মাঝে লেখক কালাম চৌধুরী, রুবা আহসান রহমত, আসমা আকতার, এম এ হাশেম রাজু, মিঠুল দাশ গুপ্ত ও হরেন্দ্র কুমার নাথসহ আরো অনেকেই সংহতি প্রকাশের মাধ্যমে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের বিরোধিতার পরও নগরীর সিআরবি এলাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে ৫০০ শয্যার একটি বেসরকারি হাসপাতাল এবং একশ আসনের একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রকল্পটি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা বৈঠকেও নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে। সিআরবি এলাকায় বিদ্যমান রেলওয়ে (বক্ষব্যাধি) হাসপাতাল সংলগ্ন ৬ একর জমি জুড়ে এই হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলা হবে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশীপ (পিপিপি)’র আওতায় গড়ে তোলা হলেও এই হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা হবে সম্পূর্ণ বেসরকারি (ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক) মালিকানায়। অর্থাৎ সরকারি জমিতে হলেও এই স্বাস্থ্য সেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে চড়া দামে (বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মতোই) সেবা নিতে হবে জনসাধারণকে। স্বল্প খরচে সরকারি সেবা এখানে পাওয়া যাবে না। সরকারি জমিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার এই প্রকল্পটির বিরোধিতা করে আসছেন চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা। এই প্রকল্পকে জনস্বার্থ বিরোধী অভিহিত করে এই সিদ্ধান্ত বাতিল এবং রেলওয়ের ওই জায়গায় সরকারি উদ্যোগে বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে চট্টগ্রামের বেশকয়টি সংগঠন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে গতকাল প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সংগঠনগুলো।

জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল চলে গেলেন না ফেরার দেশে

আজ মঙ্গলবার(১৮ ফেব্রুয়ারি)কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল আর নেই।আজ ভোরে ৪টার দিকে মুম্বাইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় এই অভিনেতা।মৃত্যুকালে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক এই সাংসদের বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। কন্যাকে দেখতে মুম্বাই গিয়েছিলেন তাপস। সেখান থেকে কলকাতায় ফেরার সময় মুম্বাই বিমানবন্দরে বুকে ব্যাথা অনুভব করার কথা জানালে তাকে জুহুর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বেশ কিছুদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন তিনি। গত দুই বছরে চিকিৎসার জন্য বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এই অভিনেতা। ১৯৫৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার চন্দননগরে জন্ম তাপস পালের। ১৯৮০ সালে তরুণ মজুমদার পরিচালিত ছবি ‘দাদার কীর্তি’ দিয়ে সিনেমায় অভিষেক। অভিষেকেই দর্শকের মন জয় করেন। এরপর সাহেব, গুরুদক্ষিণা, অনুরাগের ছোঁয়া, ভালোবাসা ভালোবাসা, মায়া মমতা, সুরের ভুবনে, আগমন, মঙ্গলদীপ, সমাপ্তি-সহ তার একাধিক ছবি হিট হয়। ‘সাহেব’ ছবির জন্য ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার পান। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি ছবিতেও নেমেছিলেন তিনি। ১৯৮৪ সালে তার অভিনীত ‘অবোধ’ ছবির নায়িকা ছিলেন হিন্দি সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। পরে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূলের রাজনীতিতে জড়ান তাপস। ২০০৯ সালে ভারতীয় লোকসভার কৃষ্ণনগর আসন থেকে তৃণমূলের সাংসদ নির্বাচিত হন। এই আসন থেকে দুইবার সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। রাজনৈতিক জীবনে নানা কারণে বিতর্কিত হন তাপস। পশ্চিমবঙ্গের আলোচিত চিটফান্ডকাণ্ডে নাম আসে তার। ২০১৬ সালে রোজভ্যালিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হন তিনি, পরে ২০১৮-য় জামিন পান। । মৃত্যুকালে স্ত্রী নন্দিনী পাল ও কন্যা সোহিনী পালকে রেখে গেছেন তিনি। তার মৃত্যুতে কলকাতার সিনেমা পাড়া টালিগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে লিখা দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের বঙ্গবন্ধু কর্নারে তিনি এ বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারি প্রেস সচিব এ. বি. এম. সরওয়ার-ই-আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রথমে জাতির পিতার বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও কথপোকথনের সংকলন গ্রন্থ ‘জয় বাংলা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।’ তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে শেখ হাসিনা বইটির ভূমিকা লিখেন। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এমপি এবং লেখক ও কবি পিয়াস মজিদ বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাতকার ও কথপোকথনগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেন। সারওয়ার বলেন, নাহিদ ও মজিদ ছাড়াও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-এ-আলম চৌধুরী লিটন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’ বইয়েরও মোড়ক উন্মোচন করেন। সব্যসাচী লেখক শামসুল হক বইটির গ্রন্থনা এবং পিয়াস মজিদ বইটির সম্পাদনা করেন।

আমি হতাশ নই, কর্মীরা হতাশ: নাছির

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আত্তয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া রেজাউল করিম চৌধুরীকে জয়ী করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। দলের নেতাকর্মীরা সবাই একসাথে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।সোমবার বিকেলে এসব কথা বলেন তিনি। চট্রগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির ফের মেয়র প্রার্থী হতে চেয়ে গত শনিবার ঢাকায় গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকার দিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। দলীয় মনোনয়ন দ্বিতীয়বারের মতো না পাওয়ায় কোন হতাশা নেই উল্লেখ করে এ সময় তিনি আরো বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করার চেষ্টা করেছি। স্বচ্ছতার সাথেই সকল কাজ করা হয়েছে বলে তিনি। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রী যাকে ভালো মনে করেছেন তাকেই দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। তার পক্ষেই দলের সবাই মিলে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন আ জ ম নাছির উদ্দীন। এ সময় প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখতে আন্দরকিল্লাস্থ বাসার সামনে প্রচুর নেতা কর্মী ভিড় করে। স্লোগানে, স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা। বর্তমান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, বঙ্গুবন্ধু কন্যা ও জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছেন। সেই সাথে গতবার আমাকের আওয়ামী লীগের মেয়র হিসেবে নির্বাচন করার সুযোগ দিয়েছেন। এবং জনগণের ভোটের আমি বিজয়ী হই। আমি সততা এবং সত্যতার সঙ্গে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ সম্পাদন করেছি। মনোনয়ন বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেটা ভালো মনে করেছেন, এবং যার হাতে নৌকার প্রতীক তুলো দিয়েছেন; আমি তার ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমার যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে সেটা দিয়ে তাকে বিজয়ী করার চেষ্টা করবো। এদিকে দলীয় মনেনয়ন না পাওয়াই নেতা-কর্মীরা কিছুটা হতাশা রয়েছে। তিনি জানান, আমার কর্মীরা আমাকে নির্বাচন করার জন্য যেভাবে জীবন বাজি রেখে কাজ করেছেন। ইনশাল্লাহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত মনোনীতপ্রার্থীকে বিজয় করার জন্য তারা সেভাবে কাজ করবেন।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদিন জানান,সোমবার প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন বিষয় বিশেষ করে সম্প্রতি তাঁর ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং স্পেন সফর নিয়ে আবদুল হামিদের সঙ্গে আলোচনা করেন।’ প্রেস সচিব বলেন, সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একে অপরের স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন। প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে বঙ্গভবনে পৌঁছেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও তাঁর পত্নী রাশিদা খানম এ সময় তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতির নৈশভোজে যোগ দেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে রাষ্ট্রপতির পত্নী রাশিদা খানম, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথে ঐতিহ্যবাহী শিব চতুদর্শী মেলা ২০ ফেব্রুয়ারি

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে প্রাচীন ধর্মীয় তীর্থস্থান সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী শিব চতুদর্শী মেলা শুরু হচ্ছে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে।তিনদিন ব্যাপী এ মেলায় পূর্ণার্থীদের নিরাপত্তা ও তীর্থস্থানের পবিত্রতা রক্ষায় বিশেষ উদ্দ্যেগ নিয়েছে মেলা আয়োজন কমিটি। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনদিন ব্যাপী শিব চতুদর্শী মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।মেলা কমিটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, কমিটির সাধারণ সম্পাদক পলাশ চৌধুরী। তিনি বলেন, বিশ্বের সনাতন ধর্মীয় জনসাধারনের ঐতিহ্যবাহী সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ তীর্থ একটি অতি পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ পূণ্যস্থান। মেলা হিসেবে পরিচিত হলেও এটি মুলত ধর্মপ্রাণ হিন্দুদের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান।প্রাচীন এ তীর্থস্থানে দেশ বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ পূর্ণার্থীর সমাগম ঘটে বিধায় কালক্রমে এটি বিশাল মিলন মেলায় রূপান্তরিত হয়েছে।আগামী ২০ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি শিব চতুদর্শী এবং ৮-৯ ফেব্রুয়ারি দোল পূর্ণিমা অনুষ্ঠিত হবে। সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির পক্ষ থেকে পুরী লজিং এ্যাক্ট অনুযায়ী শিবরাত্রী পূজা অনুষ্ঠানে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। স্রাইন কমিটির পক্ষ থেকে বৈদিক সম্মেলন আয়োজন করা হবে। তিনি আরো বলেন, মেলায় সার্বিক আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষার জন্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীতাকুণ্ড সার্কেল শম্পা রাণী সাহা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম মোল্লা’র নেতৃত্বে প্রায় ৫শ ৫০ জন পুলিশ এবং বিশেষ করে এবার মহিলা পুলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়া ৩০-৪০ জন মহিলা আনসার-ভিডিপি সদস্য মেলা চলাকালীন সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত থাকবে। মেলা উপলক্ষে তীর্থ যাত্রীদের আগমনের সুবিধার্থে তুর্ণা নিশিতা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতীসহ অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেন সমুহের যাত্রার ক্ষেত্রে সীতাকুণ্ডে ৩ মিনিট যাত্রা বিরতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিবচতুদর্শী মেলা সুন্দর, সুশৃঙ্খল, সমন্বয় ও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রথমে স্থানীয়ভাবে, পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মেলা কার্যনির্বানী কমিটির এবং সর্বশেষ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও মেলা কেন্দ্রীয় কমিটি সভায় চুড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়ে থাকে।তীর্থে মন্দিরসহ মেলায় স্থাপিত দোকান, স্টল, বিনোদন কেন্দ্র সমূহকে অগ্নিকান্ডের হাত থেকে রক্ষা করা ও অসুস্থ তীর্থ যাত্রীদের জরুরী ভিত্তিতে সেবা দেয়ার জন্য মেডিকেল বোর্ডসহ ফায়ার সার্ভিস বিভাগ সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত থাকবে।দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতা স্বাভাবিক থাকায় এবার মেলায় দেশে-বিদেশের লক্ষ লক্ষ পূর্ণাথীর আগমন ঘটবে বলে আশা করছে মেলা কমিটি। সংবাদ সন্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সীতাকু্ণ্ড পৌর ব্যাবসায়ী কমিটির সাধারন সম্পাদক মো. বেলাল উদ্দিন, মুুুুক্তিযুদ্ধা আবুল কাসেম ওয়াহিদী, মেলা কমিটির অতিরিক্ত সম্পাদক সমীর কান্তি শর্মা, বাবুল কান্তি শর্মা, কানু কুমার বনিক, বুলবুল লালা, অধ্যাপক রনজিত সাহা প্রমূখ।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

বিশ্বকাপজয়ী বীরদের দেশের মাটিতে ' আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ প্রতীক্ষার প্রহর শেষে বাংলার স্বপ্ন সারথিরা দেশে ফিরেছেন। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার কিছু আগে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলটিকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিশ্বকাপজয়ী যুবাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন বিসিবি সভাপতি ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে বীর ক্রিকেটারদের ক্রিকেট বোর্ডে নেয়া হবে বিশেষ বাসে। ইয়াং টাইগারদের জন্য সকাল থেকে বিমানবন্দরে অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকরা। ইতিহাস সৃষ্টিকারীদের নিয়ে মাতামাতি হবে এটাই স্বাভাবিক। হয়েছেও তাই। সকাল থেকেই সাজ সাজ রব ছিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে। যেন উৎসবের শহর। এ যাত্রায় রং ছড়িয়েছেন সমর্থকরা। দেশের ক্রিকেটকে যারা নিয়ে গেছেন গৌরবের শীর্ষে তাদের ছুঁয়ে দেখতে ভক্তদের আকুতি সীমাহীন। সকাল থেকেই তাই লাল সবুজের জার্সিতে বিসিবিতে জড়ো হতে থাকেন সমর্থকরা। শুরুতে ওয়াটার স্যালুটের কথা থাকলেও, আপাতত তা হচ্ছে না। বিমানবন্দরে কেক কাটার পর্ব শেষে তারা পাবেন ফুলেল সংবর্ধনা। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান উপস্থিত থেকে শুরু করবেন আনুষ্ঠানিকতা। ছাদ খোলা বাস তাদের নিয়ে যাবে মিরপুরে হোম অফ ক্রিকেটে। ইয়াং টাইগারদের এমন অর্জনে শিগগিরই প্রধানমত্রীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল।

সর্বশেষ সংবাদ