শীর্ষ সংবাদ

টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর এক সিরিজ জয়

বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তাই বাংলাদেশ পড়ে গিয়েছিল চ্যালেঞ্জের মুখে। তবে সেই চ্যালেঞ্জ উতরে ম্যাচ ও সিরিজ দুটিই নিজেদের করল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে রবিবার ১৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের ফিফটির সঙ্গে সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও শামীম হোসেনের ছোট্ট ইনিংসগুলো গড়ে দেয় জয়ের ভিত। ৪ বল হাতে থাকতেই জয় নিশ্চিত হয় টাইগারদের। সুবাদে ২-১ এ সিরিজ পকেটে পুড়ে বাংলাদেশ। এর আগে একমাত্র টেস্টে জয়ের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দেয় টাইগাররা।

ব্রেকিং নিউজ » আজও গভীর সমুদ্রে যাওয়ার অপেক্ষায় মাছ ধরা ট্রলার

ছবি বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল আলম দীর্ঘ ৬৫ দিনের অপেক্ষা শেষ। মাছ ধরার ট্রলার গুলো মাছ ধরার উদ্দেশ্যে জলে ভাসবে বলে সকল প্রতিক্ষা যেন শেষই হয় না । ৬৫ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও সাগরে যেতে পারেনি পটুয়াখালীর উপকূলের সহস্রাধিক মাছ ধরা ট্রলার। উত্তর বঙ্গোপসাগরসহ তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় তারা যেতে পারেননি। যেসব ট্রলার আগেভাগে যাত্রা শুরু করেছিল তারাও বঙ্গোপসাগরের অভ্যন্তরে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে ফিরে এসেছে। এসব মাছ ধরা ট্রলার এখন নোঙর করে আছে মৎস্য বন্দর আলীপুর-মহিপুরের শিববাড়িয়া নদে। গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেও সাগরে যেতে না পারায় এসব ট্রলারের অর্ধলক্ষাধিক জেলে অপেক্ষা করছেন অনুকূল আবহাওয়ায়। মৌসুমের শুরুতে ৬৫ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষে সমুদ্র যাত্রার প্রাক্কালে এমন হোঁচটে হতাশা বিরাজ করছে এসব জেলে এবং ব্যবসায়ীর মধ্যে।জেলেসহ ব্যবসায়ীরা জানান, বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত নদী কিংবা সাগরে ইলিশ পাওয়া গেলেও জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসকে ইলিশের ভরা মৌসুম ধরা হয়। কিন্তু চিংড়িসহ সামুদ্রিক প্রায় ৪৫০ প্রজাতির মাছের প্রজননের জন্য মৌসুমের শুরুতেই ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫দিন, মা ইলিশের নির্বিঘœ প্রজননের জন্য ৮ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২দিনসহ মোট ৮৭ দিন জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ রাখতে হয়। এরপরে জাটকা সংরক্ষণের জন্য ছয় মাস মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। রয়েছে বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব। ফলে বছরের অর্ধেকটা সময় জেলেদের ঘাটে বসে কাটাতে হয়।

বগুড়ায় লকডাউনের প্রথমদিন রাস্তা ফাঁকা

কঠোর বিধিনিষেধের প্রথমদিন শুক্রবার, ২৩ জুলাই বগুড়ায় সব দোকানপাট বন্ধ ও রাস্তা ফাঁকা ছিল। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাড়িরে বের হননি। সকাল থেকেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, বিজিবি সদস্যরা গাড়ি নিয়ে টহল দিচ্ছেন। অ্যাম্বুলেন্স, কিছু রিকশা ছাড়া সড়কে কোনো যানবাহন নেই। বগুড়ার নন্দীগ্রামে লকডাউন কার্যকর করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিফা নুশরাত মাঠে নেমেছেন। সাধারণ মানুষকে তিনি বিধিনিষেধ মেনে চলতে দিকনির্দেশনা দেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে জনসমাগম কম ও দোকানপাট বন্ধ। ছিলো। সর্বাত্মক বিধিনিষেধ কার্যকরে বগুড়াবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জীবন বাঁচার এ লকডাউন সবাইকে মানতে হবে। সকলের সহযোগিতা পেলে করোনাভাইরাসকে মোকাবেলা করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা যাবে।

শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা আজ

শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা বৌদ্ধদের কাছে অতি তাৎপর্যময় পুণ্যতিথি।থেরবাদী বৌদ্ধ দেশগুলোয় আজ থেকে ত্রৈমাসিক বর্ষাবাস ব্রত শুরু। বিহারের ভিক্ষু-শ্রামণ, উপাসক-উপাসিকা ও গৃহীরা আজ থেকে তিন মাসের জন্য ধ্যান-সমাধি ও প্রজ্ঞা সাধনা করবেন। অতি যত্নের সঙ্গে ধর্মবিনয় অনুশীলন করবেন, শিক্ষা দেবেন এবং শাস্ত্র আলোচনা করবেন। প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য বৃক্ষরোপণও করা হবে। এ পূর্ণিমার আরও বিশেষত্ব হল, আষাঢ়ী পূর্ণিমার এই শুভ তিথিতেই রাজকুমার সিদ্ধার্থ রানী মহামায়ার গর্ভে প্রতিসন্ধি গ্রহণ করেন। বৌদ্ধ পরিভাষায় একে বলা হয় মহাভিনিষ্ক্রমন। বুদ্ধত্ব লাভের পর এ দিবসেই তিনি তার অধীত নবলব্ধধর্ম ‘ধর্মচক্র প্রবর্তনসূত্র’রূপে পঞ্চবর্গীয় শিষ্যের কাছে প্রথম প্রচার করেন সারনাথের ঋষিপতন মৃগদাবে। সেদিন তার প্রচারিত ধর্মের মূল আবেদন ছিল- জগৎ দুঃখময়, জীবন অনিত্য, জগতের সব সংস্কার অনিত্য। জন্ম, জরা, ব্যাধি, মৃত্যুই শাশ্বত। এই দুঃখময় সংসার থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় তৃষ্ণাক্ষয়, শীল, সমাধি, প্রজ্ঞার সাধনা এবং আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ তথা আটটি বিশুদ্ধ পথে চলা।এ পূর্ণিমার আরও একটি বৈশিষ্ট্য হল, এ শুভ তিথিতেই ভগবান বুদ্ধ শ্রাবস্তীর গণ্ডম্ব বৃক্ষমূলে প্রতিহার্য প্রদর্শন করেন এবং মাতৃদেবীকে দর্শন ও ধর্মদেশনার জন্য তাবতিংস স্বর্গে গমন করেন। আমরা জানি, রাজকুমার সিদ্ধার্থের জন্মের পরই রানী মহামায়ার মৃত্যু হয়েছিল। এ কৃতজ্ঞতাবোধে তিনি তার প্রাপ্ত ধর্মজ্ঞান তার মাতৃদেবীকে বিতরণ তথা দর্শনের জন্যই স্বর্গে গিয়েছিলেন। রানী মহামায়ার মৃত্যুর পর তার কনিষ্ঠ বোন গৌতমীই পরবর্তীকালে রাজকুমার সিদ্ধার্থকে লালনপালন করেন। এজন্য সিদ্ধার্থের অপর নাম হয়েছিল গৌতম। বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে এ তিন মাসের ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ ত্রৈমাসিক এ বর্ষাবাসের মধ্যে ভিক্ষুসংঘ ও গৃহীসংঘ ধর্ম-বিনয়ের বহুবিধ আচার-আচরণ ও বিধিবদ্ধ নিয়ম-নীতি পালন ও অনুশীলন বাধ্যতামূলক। আষাঢ়ী পূর্ণিমাকে বাংলাদেশের বৌদ্ধরা ‘ছাদাং’ বলে অভিহিত করেন। ‘ছাদাং’ বার্মিজ শব্দ; এর অর্থ উপোসথ। বর্ষাবাসের তিন মাসে অষ্টমী, অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে উপোসথ পালন করা হয়। এ সময়ে বিহারে গিয়ে ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ নর-নারী ও উপাসক-উপাসিকারা উপোসথব্রত গ্রহণ করেন। উপোসথব্রতীরা অষ্টশীল গ্রহণ করেন এবং তা ২৪ ঘণ্টার জন্য রক্ষা করেন। বাংলাদেশের বৌদ্ধরা যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে এ উৎসব পালন করছেন। সীমিত আকারে করোনা মহামারির মধ্যেই দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে সকালে বুদ্ধ পূজা, ভিক্ষুসংঘের পিণ্ডদান, শীলগ্রহণ এবং বিকালে ধর্মসভা আষাঢ়ী পূর্ণিমার তাৎপর্যসহ বৌদ্ধ ধর্মদর্শনের নানাবিধ দিক আলোচনা করা হয়; বিশেষ করে দুর্লভ মানবজীবনের সার্থকতার জন্য বৌদ্ধজীবন পদ্ধতিতে যেসব নিয়ম-নীতি, শিক্ষা, সদাচার পালনীয় তা এবং ইহ-পারলৌকিক শান্তি, সুখ, সমৃদ্ধি আনয়নের জন্য যেসব ব্রত বা কর্ম বৌদ্ধশাস্ত্রে বিধৃত, তা তুলে ধরা হয়। আজ এমন এক সময়ে আষাঢ়ী পূর্ণিমা উদযাপন করা হচ্ছে, যখন সারা পৃথিবীর মানুষ করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আতঙ্কিত। মানবজীবনে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, ব্রত, অধিষ্ঠান সবই মানুষের মঙ্গল ও কল্যাণের জন্য। শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা পৃথিবীর মানুষকে করোনাসহ সব ধরনের রোগ-শোক থেকে দূরে রাখুক- এটাই আজ আমাদের প্রার্থনা। ‘সব্বে সত্তা সুখীতা হোন্তু’- জগতের সব জীব সুখী হোক।

ব্রেকিৎ নিউজ » পূর্ণিমার জোয়ারে প্লাবিত হচ্ছে চট্রগ্রাম»

শুক্রবার ২৩ জুলাই ৭ শ্রাবণ অস্বাভাবিক জোয়ারে প্লাবিত হচ্ছে চট্টগ্রামসহ আশেপাশের এলাকা পূর্ণিমার জোয়ারে এ অবস্থা । বৃষ্টি নেই তবু জোয়ারের পানিতে প্রতিদিনই ডুবছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ও উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো। খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদের মতো বাণিজ্যিক এলাকা যেমন প্লাবিত হচ্ছে, একইভাবে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি উপজেলার নগর বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদ ও খাতুনগঞ্জসহ বেশকিছু এলাকা হাঁটুপানিতে তলিয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী ।সামনে আরও ভয়াবহ হবে বলে আশাংখ্যা। ।এলাকাবাসীর অভিযোগ—আগে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে নগরীর নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা হতো। এখন হচ্ছে জোয়ারের পানির কারণে। বিশেষ করে অমাবস্যা-পূর্ণিমার জোয়ারে এটা বেশি হচ্ছে। সেই সঙ্গে নিম্নচাপ কিংবা মৌসুমি লঘুচাপের কারণে সাগর উত্তাল হলে পানির প্রবাহ বাড়ে। এ সময় লাগাতার বৃষ্টিপাতে পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করে।প্রতি জোয়ারে খালের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে ডুবে যাচ্ছে। নগরীর সিডিএ আবাসিক এলাকা, হালিশহর, এক্সেস রোড, বেপারি পাড়া নিয়মিত জোয়ারে প্লাবিত হচ্ছে। জোয়ারের পানি এসব এলাকার মানুষের জীবনে বাড়তি বিড়ম্বনা সৃষ্টি করেছে

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে ৮ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। মোস্তাফিজ–শরিফুলদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে পথ দেখান নাঈম শেখ ও সৌম্য সরকার। এ দুজনের ফিফটিতেই নিজেদের শততম টি–টোয়েন্টি ম্যাচে সহজ জয় পেয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ১৯ ওভারে ১৫২ রানে অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকেরা। জবাবে ৮ উইকেট ও ৭ বল হাতে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। লক্ষ্য তাড়ায় বেশ ধীর লয়ে শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম তিন ওভারে আসে ১০ রান। এরপর অবশ্য ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন দুই ওপেনার নাঈম ও সৌম্য। ৮ম ওভারেই দলের রান ৫০ পার করান এই দুই ওপেনার। এরপর রানের গতি বাড়িয়ে দলকে জয়ের দিকে নিতে থাকেন নাঈম–সৌম্য জুটি। নিজের ফিফটি তুলে নিয়েই আউট হন সৌম্য। ৪৯ রানে থাকা সৌম্য এনগারাভার করা ১৪ তম ওভারের প্রথম বলে দুই রান নিতে গিয়ে রানআউট হয়ে যান। তবে আউট হওয়ার আগে প্রথম রান নিয়ে অর্ধশতক পান এই বাঁহাতি ওপেনার। সৌম্যর বিদায়ের পর নাঈমের সঙ্গে জুটি গড়েন অধিনায়ক মাহমদউল্লাহ। ৪০ বলে নিজের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন নাঈম। সৌম্যর মতো অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও (১৫) আউট হন রান আউটের ফাঁদে পড়ে। তবে দলকে আর কোনো বিপদে পড়তে না দিয়ে জয় এনে দেন নাঈম (৬৩) ও সোহান (১৬)। এর আগে বাংলাদেশকে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট এনে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর স্লোয়ার বলে শট খেলতে গিয়ে সৌম্য সরকারের তালুবন্দী হয়ে ফেরেন তাদিওয়ানাশে মারুমানি (৭)। শুরুতে উইকেট হারিয়েও অবশ্য পথ হারায়নি জিম্বাবুয়ে। চাকাভা ও মাধেভেরের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে প্রথম ৫ ওভারে স্বাগতিকেরা জড়ো করে ৪৬ রান। দারুণ ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়েকে এগিয়ে নেওয়া এ জুটি ভাঙেন সাকিব। দলীয় ৭৪ রানে সাকিব আল হাসানের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাধভেরে (২৩)। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি চাকাভাও। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ২২ বলে ৪৩ রান করা এই ব্যাটসম্যান ফেরেন নরুল হাসান সোহানের সরাসরি থ্রোতে রান আউটের শিকার হয়ে। রানের খাতা খোলার আগে ফিরে যান সিকান্দার রাজাও। শরিফুলের গুড লেংথের বলে উইকেটের পেছনে সোহানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক। এরপর ৬ রান করা টারিসাই মুসাকান্দাকেও (৬) লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে দ্রুত ফিরিয়ে দেন সৌম্য সরকার। এক প্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা বাড়াতে থাকা ডিওন মায়ার্স ফেরেন শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। শরিফুলের ফুল লেংথ বলে লেগ সাইডে শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ২২ বলে ৩৫ রান করা মায়ার্স। শেষ দিকে ১৮ রান করেন লুক জংগুয়ে। বোলিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে মাহমুদউল্লাহ দল। সরাসরি থ্রোতে সোহানের করা রানআউট ছাড়াও দুর্দান্ত এক রানিং ক্যাচ নিয়েছেন শামীম পাটোয়ারি। বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন শরিফুল ও সাইফউদ্দিন

২৩ জুলাই ফের দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু

শুক্রবার সকাল থেকে ফের দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু। ভোর ৬টা থেকে ৫ই আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত আবারো বিধিনিষেধ আরোপ থাকবে। এর আগে ১৩ই জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঈদ উপলক্ষে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে ১৪ই জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩শে জুলাই ভোর ৬টা পর্যন্ত সব ধরনের বিধিনিষেধ শিথিল রাখা হবে। শুক্রবার (২২ জুলাই) ভোর থেকে শুরু হতে যাওয়া কঠোর বিধিনিষেধে ২৩টি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দেশে ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে আরও কঠোর হবে প্রশাসন। এদিকে, দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় তা প্রতিরোধে ১লা জুলাই থেকে সাত দিনের জন্য কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরে ৫ জুলাই আরেক দফায় চলমান কঠোর বিধি-নিষেধের মেয়াদ ১৪ই জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এসময় জরুরি পন্য পরিবহণ ছাড়া সব ধরনের যন্ত্রচালিত যানবাহন বন্ধ থাকে। এরপর ঈদ উপলক্ষ্যে গত ১৫ জুলাই থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে আবারও স্বাভাবিক হতে শুরু করে জনজীবন। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেলেও বাংলাদেশে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওইদিন তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনায় মৃত্যুর হার শুরুতে বৃদ্ধি পাওয়ার পর অনেকটাই কমে এসেছিলো সে হার। তবে, দেশে করোনায় ২য় ঢেউয়ে আবারো বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ হার ও মৃতের সংখ্যা। সংক্রমণ ঠেকাতে আবারো দেশে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে সরকার।

পবিত্র ঈদুল আজহা কাল স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ জামাত

দেশজুড়ে চলছে করোনা মহামারি। এই মহামারির মধ্যে এবারও উদযাপন হতে যাচ্ছে ঈদুল আজহা। আগামীকাল সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এ কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে। গতবছরের মতো এবারও মানতে হবে কঠোর স¦াস্থ্যবিধি। নিশ্চিত করতে হবে সামাজিক দূরত্ব। ধর্মমন্ত্রণালয় ঈদ জামাত পালনে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে মসজিদে ঈদের নামাজ আয়োজনের ক্ষেত্রে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। এক কাতার অন্তর অন্তর দাঁড়াতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে মসজিদে আসতে হবে। ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে। ইমলামিক ফাউন্ডেশন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, আমরা চট্টগ্রামের সব মসজিদে ধর্মমন্ত্রণালয়ের নির্দেশ পাঠিয়ে দিয়েছি। সবাইকে অনুরোধ করেছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ জামাত পালন করতে। তিনি আরো জানান, জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ মাঠ ও আউটার স্টেডিয়ামে এবছরও ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। তবে মসজিদের ভিতরে দূরত্ব বজায় রেখে ঈদ জামাত হবে। জামিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদে দুটি ঈদ জামাত হবে। প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টা ও দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল সাড়ে ৮টা। অপরদিকে আন্দরকিল্লা শাহি জামে মসজিদের দুটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল সাতটা ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা।

চট্টগ্রামেএক দিনেই রেকর্ড মৃত্যু ১৫

দিন যত যাচ্ছে কারোনা শনাক্তের সংখ্যা ও মৃত্যুও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভয়ঙ্কর ও আগ্রাসী রূপে প্রাণঘাতী কোভিড-১৯সংক্রমণ হয়ে চট্টগ্রামে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের ১০ জনই উপজেলার বাসিন্দা। নতুন রেকর্ড ভেঙেছে মৃত্যুর এ সংখ্যা। এদিকে চট্টগ্রামে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯২৫ জন। এদের মধ্যে ৫৫৩ জন নগরের আর ৩৭২ জন উপজেলার বাসিন্দা। তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে সোমবার চট্টগ্রামের সরকারি বেসরকারি ১০ টি এবং এন্টিজেন বুথে সর্বমোট ২ হাজার ৫৩৭জনের নমুনা পরীক্ষা হয়। তাতে ৯২৫ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে৷ এনিয়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭২ হাজার ৫৯২ জনে এসে দাঁড়িয়েছে। আর মৃত্যুর সংখ্যা ৮৫৬ জনে এসে দাঁড়িয়েছে।

লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান

‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক। লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল হামদা, ওয়াননি’মাতা, লাকা ওয়ালমুলক, লা শারিকা লাক...।’ এমন মধুর ধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে পবিত্র আরাফাতের পাহাড়ঘেরা ময়দান ছাপিয়ে আকাশ-বাতাস মুখর ও প্রকম্পিত আজ। করোনা মহামারির মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো আজ সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পবিত্র হজ। গত বছরও হজ পালনের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা ছিল। এবারও লোকজনকে পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই হজ পালন করতে হচ্ছে। চলতি বছরও পবিত্র হজের আরবি খুতবা অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি বাংলা ভাষায়ও অনুবাদ করা হচ্ছে। বাংলাসহ অন্য যে ভাষায় সম্প্রচার হবে হজের খুতবা তা হলো- ইংরেজি, ফ্রেন্স, তুর্কি, মালাইউ, চায়নিজ, উর্দু, ফার্সি, রাশিয়ান ও হাউসা। হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, প্রতি বছর আরবি জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফাত ময়দানে হজের খুতবা অনুষ্ঠিত হয়। এই আরাফাতের ময়দানেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এ বছরও সৌদি আরবের বাইরে থেকে কোনো হজযাত্রীকে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। সৌদি আরবে বাস করা দেশটির নাগরিক ও বিদেশি বাসিন্দাদের মধ্য থেকে ৬০ হাজার ব্যক্তি হজ করার অনুমতি পেয়েছেন। শুধু ১৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সি সৌদি নাগরিক এবং দেশটিতে বাস করা ১৫০ দেশের নাগরিক হজ করার সুযোগ পেয়েছেন। সবাই দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। গতবারও বিধিনিষেধের মধ্যে ১ হাজার মুসলিমকে হজ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

টাইগারদের শ্বাসরুদ্ধকর এক সিরিজ জয় বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তাই বাংলাদেশ পড়ে গিয়েছিল চ্যালেঞ্জের মুখে। তবে সেই চ্যালেঞ্জ উতরে ম্যাচ ও সিরিজ দুটিই নিজেদের করল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে রবিবার ১৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের ফিফটির সঙ্গে সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও শামীম হোসেনের ছোট্ট ইনিংসগুলো গড়ে দেয় জয়ের ভিত। ৪ বল হাতে থাকতেই জয় নিশ্চিত হয় টাইগারদের। সুবাদে ২-১ এ সিরিজ পকেটে পুড়ে বাংলাদেশ। এর আগে একমাত্র টেস্টে জয়ের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশের স্বাদ দেয় টাইগাররা।

সর্বশেষ সংবাদ