শীর্ষ সংবাদ

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’

চলতি সপ্তাহে সুন্দরবনে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানায়,আগামী ২৩-২৫ মের মধ্যে বঙ্গোপসাগের উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড়টি। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, শক্তি বাড়িয়ে এই ঘূর্ণিঝড় বিধ্বংসী রূপ নিতে পারে। আম্ফানের মতো ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে ফের তছনছ করে দিতে পারে এই সুপার সাইক্লোন। আপাতত ঘূর্ণিঝড়টির গতিবিধির দিকে খেয়াল রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। আবহাওয়াবিদদের মতে জলবায়ু সংকটের প্রভাবেই বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার এমন বিরূপ প্রতিক্রিয়া। তবে শুক্রবার থেকে কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বঙ্গে। আর মঙ্গলবার বৃষ্টিতে ভাসতে পারে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদহে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী কিম বু-কিয়ামকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার এক অভিনন্দন বার্তায় বলেন, তিনি আশাবাদী যে, কিম তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সফলভাবে তার দেশকে বৃহত্তর শান্তি ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবেন। শেখ হাসিনা জানান,বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পারস্পরিক বিশ্বাস, শান্তির প্রতি দৃঢ় প্রত্যয়, সুরক্ষা এবং সকলের জন্য সমৃদ্ধি দ্বারা প্রকাশিত। তিনি কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের সাথে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমুখী সম্পর্কের গভীরতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও জোরদার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি আমাদের বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতার যে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে তাকে বৃহত্তর বাণিজ্য, বিনিয়োগ, মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং কারিগরি সহযোগিতার জন্য দুই দেশের জনগণের স্বার্থে কাজে লাগনো যেতে পারে।’ শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অবকাঠামো এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে কোরিয়ার বিনিয়োগকে উৎসাহিত করেন। তিনি জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষিণ কোরীয় সরকারের সহযোগিতায় গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বিভিন্ন আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিষয়ে কোরিয়া সরকারের সঙ্গে তাঁর সরকারের নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে দ্রুত, নিরাপদ এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে এই অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার জন্যই এটি জরুরী বলে উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ঝুলে থাকা সমস্যাটি এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বিনষ্টের কারণ হতে পারে। তিনি বিভিন্ন ফোরামে বিশেষ করে জাতিসংঘে কোরিয়ার অব্যাহত সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তিনি সুবিধাজনক সময়ে কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান।

ভারতে আটকেপড়া ৩ নারীসহ ১১ বাংলাদেশী দেশে ফিরেছে

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে আটকেপড়া ৩ জন নারীসহ ১১ বাংলাদেশী দেশে ফিরেছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দর্শনা জয়নগর সীমান্ত পথ দিয়ে তারা দেশে প্রবেশ করে। তাদের সবারই স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। পরে বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থায় তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। দর্শনা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানান, ভারতে আটকে পড়াদের মধ্যে সোমবার প্রথম বারের মতো ১১ জন দেশে প্রবেশ করেছে। এর আগে তারা ভারতীয় উপ-হাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র গ্রহণ করে। পরে ভারতের নদীয়া জেলার গেদে চেকপোস্টে কাস্টমস ইমিগ্রেশন শেষে দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে দেশে প্রবেশ করে। চেকপোস্টের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিশেষ ব্যবস্থায় তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়। দর্শনা ইমিগ্রেশন পুলিশের এসআই আব্দুল আলীম জানান, সোমবার ফেরত আসা সবাই চিকিৎসা নিতে ভারতে গিয়েছিল। এরপর করোনার লকডাউনের কারণে দেশের সীমান্ত পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা ভারতে আটকা পড়ে। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ হোসেন জানান, দেশে প্রবেশে পর তাদেরকে বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থায় চুয়াডাঙ্গার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) ভবনে নেয়া হয়েছে। সেখানেই তাদেরকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। পুরো প্রক্রিয়া তদারকিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ হোসেন, দর্শনা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির দর্শনা কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার আব্দুস সহিদ ও দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ অমিত সাহা। উল্লেখ্য, এর আগে গত রোববার তাদের দেশে ফেরার কথা থাকলেও এনওসি জটিলতায় তারা সেদিন দেশে ফিরতে পারেননি।

অন্যের ঘর ভেঙে নিজের ঘর সুরক্ষিত রাখা যায় না : পোপ

গত ১০ মে থেকে ফিলিস্তিনের গাজায় বর্বর হামলা চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। একইসঙ্গে পশ্চিমতীরসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের গুলি করে হত্যা করছে। গত ৮ দিনে ইসরায়েলিদের হামলায় অন্তত ২১৮ জন ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ও আহত হয়েছে পাঁচ হাজার ৬০৪ জন।এ নিয়ে তীব্র নিন্দা করলেন খ্রিস্টান ধর্মযাজক পোপ ফ্রান্সিস। তিনি অবিলম্বে সংঘর্ষ বিরতির আবেদন করেছেন। পোপ বলেন, অন্যের ঘর ভেঙে নিজের ঘর সুরক্ষিত রাখা যায় না। প্রচুর শিশু প্রাণ হারাচ্ছে। এটা প্রমাণ করে, যারা এই কাজ করছে, তারা উন্মাদ। পোপ আরও বলেন, মনে রাখবেন, ঈশ্বর প্রত্যেক মানুষকে নিজের হাতে তৈরি করেছেন। তাই এই চরম হানাহানি বন্ধ না হলে তা ঈশ্বরেরই অপমান। অবিলম্বে হিংসা বন্ধ করুন। যারা নিজেদের শক্তিশালী ভাবছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা ধুলোয় মিশে যাবে। তাই দু’পক্ষকেই শান্তির পথে হাঁটার আবেদন করেন তিনি।

করোনা প্রতিরোধে সচেতনমুলক কর্মসুচি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে করোনা প্রতিরোধে সচেতনমুলক কর্মসুচি পালিত হয়েছে। আজ সোমবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে এ কর্মসুচি পালিত হয়। কর্মসুচি অংশ হিসেবে শহরের চৌরাস্তাসহ কয়েকটি স্থানে পথসভা করেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিস্টরা। এসময় পথচারি ও যানবাহনে চলাচলরত যাত্রীদের মাক্স পরিধান ও লিফলেট বিতরণ করে সচেতন করে। পথসভায় সিভিল সার্জন ডাঃ মাহফুজার রহমান সরকার, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ শাহজাহান নেওয়াজ, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অরুনাংশু দত্ত টিটোসহ বক্তারা বলেন, করোনা তৃতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সকলকে সচেতনার সাথে চলাফেরার পাশাপাশি প্রত্যেককে মাক্স পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ প্রদান করেন। পরে জেলা শহরের বিভিন্নস্থানে পথসভায় যোগ দেন তারা।

ব্রেকিং নিউজ »তীব্র ভ্যাপসা গরমে- জনজীবনে নাভিশ্বাস

পোড়ানো রোদে দমবন্ধ অবস্থা প্রকৃতিতে। চট্রগ্রাম এখানকার তাপপ্রবাহ মাঝারি ধরনের হলেও পড়েছে তীব্র গরম লুহাওয়া। গরম নয়; এ যেন আগুনের কড়াইয়ে একটু শীতলতা চাই- ছড়িয়ে পড়া তাপদাহ। অসহনীয় খরতাপে পুড়ছে দেশ। ভ্যাপসা গরমে-ঘামে মানুষ নাকাল। তপ্ত ও গুমোট আবহাওয়া। সর্বত্র দুর্বিষহ জনজীবন। চলমান তাপপ্রবাহের চতুর্থ দিনে সোমবার (১৭ মে) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও রেকর্ড ৪১। দিনভর সূর্য যেন আগুন ঢেলেছে। ফলে গরমে জনজীবনে নাভিশ্বাস অবস্থা। হাঁসফাঁস দশা প্রাণীকূলেরও। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষও দমবন্ধ করা গরমে পড়েছেন অপরিসীম কষ্টে। গত২দিন বৃষ্টির পর থেকেই গরমের এমন দাপট চলছে আজ মঙ্গলবার, ১৮ মে ৪ জ্যৈষ্ঠ ভোররাত থেকেই তাঁতানো-তাপদাহে মানুষে চরম অস্হিরতায় বেড়েই চলেছে জনজীবনে অস্থিরতা। এমনকি রাতের বেলায়ও স্বস্তি মিলছে না।রাত কেটেছে নিদ্রাহীন বাতাসে যেন আগুনের হল্কা। রাস্তায় পিচ গলতে শুরু করেছে। তীর্যক সূর্যের দহনে দিনমান অতিবাহিত হচ্ছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও বেড়ে গেছে। এতেই গরমের তীব্রতা অনেক বেশি। এতে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠছে মাঝে মধ্যে আকাশ মেঘলা বিরাজ করলে ও ভোরের সূর্য যেন আগুন ঢেলেছে। প্রকৃতিতে তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও বিভ্রাট এবং পানির সঙ্কটের কারণে জনজীবনের ভোগান্তি আরো বেড়ে গেছে জ্যৈষ্ঠের শুষ্ক আবহাওয়ায় তাপপ্রবাহ চলতে পারে কমপক্ষে আরও এক সপ্তাহ। এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

ভারতে করোনায় মৃত্যু, ৪,৩৪০

ভারতে টানা দুইদিন দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখের নীচে থাকল। গত ২১ এপ্রিল শেষবার দেশটিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ লাক্ষের কম। তারপর থেকে বাড়তে বাড়তে ৪ লাখ পেরিয়েছিল দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা। গত এক সপ্তাহ ধরে কমে তা নামল ৩ লাখের নীচে। আক্রান্ত কমলেও কমেনি দৈনিক মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায়ও ভারতে মৃত্যু রয়েছে ৪ হাজারের উপরেই। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫ জন। যা নিয়ে ভারতে মোট আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়ালো- ২ কোটি ৫২ লাখ ২৭ হাজার ৯৭০ জনে। আর ওই সময়ে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে আরও ৪ হাজার ৩৪০ জনের। যা নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৫১ জনে। ভারতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া চরম পর্যায়ে পৌঁছাতেই লকডাউন এবং বিধিনিষেধ আরোপের পথে হাঁটতে থাকে দেশিটির অধিকাংশ রাজ্য। তারপর থেকেই কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করে দৈনিক সংক্রমণ। সংক্রমণ কম হওয়ার জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগী কমেছে দেড় লাখেরও বেশি। যার ফলে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও কমে ৩৩ লাখে নেমেছে। এই পরিস্থিতিতেই ভারতে চলছে টিকাকরণ কর্মসূচি। দেশটির কেন্দ্রের দেয়া তথ্যই বলছে, টিকাকরণ চললেও তা হচ্ছে অনেকটাই স্লথ গতিতে। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা পেয়েছেন মাত্র ৭ লাখ ৬ হাজার ২৯৬ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা দেওয়া হয়েছে ১৮ কোটিরও বেশি।

মহামারী করোনাভাইরাসে মৃত্যু ছাড়ালো ৩৪ লাখ,যুক্তরাষ্ট্রে ৬ লাখ

মহামারী করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে গোটাবিশ্ব এখন তটস্থ। টিকা কার্যক্রম চললেও থেমে নেই মৃত্যুর মিছিল। যে মিছিলে গত ২৪ ঘণ্টায় শামিল হয়েছেন আরও ১০ হাজার ৮৮৪ জন। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪ হাজার ৩৪০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে ভারতে। এ সময়ে বিশ্বে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে আরও ৫ লাখ ৪২ হাজার ২৭৭ জন। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫ জনই ভারতের।করোনা আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, এ নিয়ে বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা ১৬ কোটি ৪২ লাখ ৭২ হাজার ৫৯৫। যাদের মধ্যে মারা গেছে ৩৪ লাখ ৪ হাজার ২৭৯ জন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটির সংক্রমণ থেকে ১৪ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৫৮ জন সুস্থ হলেও সক্রিয় রোগীর সংখ্যা এখন ১ কোটি ৬৬ লাখ ৭৭ হাজার ৮৫৮ জন। বিশ্বে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় সবার ওপরে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ২৫ হাজার ৩০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৬৯ জনের। যা নিয়ে দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৪৭ হাজার ৪৩৯ জন। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৫৩৩ জনের। আক্রান্ত হিসেবে চিকিৎসাধীন ৫৯ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯৭ জন। এর পরের স্থানেই অবস্থান করা এশিয়ার জনবহুল দেশ ভারতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। যাতে এ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫২ লাখ ২৭ হাজার ৯৭০ জনে। আর মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫১ জনের। চিকিৎসাধীন ৩৩ লাখ ৫৯ হাজার ২১৬ জন। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবলপ্রিয় দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৬১ হাজার ১০৬ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৮৬২ জনের। চিকিৎসাধীন ১০ লাখ ৭১ হাজার ৮১১ জন। তালিকায় এরপরের স্থানে থাকা ফ্রান্স, তুরস্ক, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও ইতালিতে সংক্রমণের সংখ্যা ৪০ থেকে ৬০ লাখের মধ্যে থাকলেও তুরস্ক বাদে ওপর দেশগুলোতে মৃত্যু লাখ ছাড়িয়েছে। ৩৩ নম্বরে থাকা বাংলাদেশেও মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ হাজার।

রাজধানী মিরপুরে পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

রাজধানীর মিরপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।সোমবার বড়বাগ গ্রামীণ ব্যাংকের পেছনের ওই কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।এতে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান,বড়বাগ গ্রামীণ ব্যাংকের পেছনের ওই পোশাক কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে তাৎক্ষণিক আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।বিস্তারিত আসছে.....

মুম্বাইয়ে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তকতে

ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় তকতে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় মুম্বাইতে এসে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। এই শহরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। সেখানে প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ১৮৫ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আজ সোমবার মুম্বাই, থানে, পালঘর, রায়গড়, সিন্ধুদুর্গ জেলায় করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ রাখা হয়েছে। আর তাঁবু খাটিয়ে যেসব স্থানে করোনা রোগীদের চিকিৎসা চলছিল, তাঁদের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মুম্বাই বিমানবন্দর বন্ধ ছিল। এ ছাড়া উচ্চ জোয়ারের সম্ভাবনা আছে। তাই মুম্বাই-ওয়ার্লি সি-লিংক বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মুম্বাই, থানে, রায়গড়, সিন্ধুদুর্গ, পালঘর সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মুম্বাইয়ে ‘জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের’ (এনডিআরএফ) তিনটি ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। পাঁচটি অস্থায়ী আশ্রয় নির্মাণ করা হয়েছে। দাদর, ওয়ার্লি, মাতুংগা, মাহিম, লোয়ার পারেল, থানেসহ বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মহারাষ্ট্র সরকার আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়েছিল। বোম্বে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন ‘ফিল্ড কোভিড সেন্টার’–এর করোনা রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছে। রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই রাজ্যের তিনটি জেলার উপকূলবর্তী অঞ্চলের ৬ হাজার ৫০০ জনকে সুরক্ষিত স্থানে রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে মহারাষ্ট্রের রত্নাগিরির উপকূলবর্তী অঞ্চলের ৪০টি বাড়ির প্রবল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনটি বিদ্যালয় পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পুনের নিকটবর্তী অঞ্চলের ৭০টি বাড়ির প্রভূত ক্ষতি হয়েছে।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

বাংলাদেশ সফরে আসছে শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে দল তরুণ এক স্কোয়াড নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসছে শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে দল। এই দল নিয়েই কীভাবে ভালো করা যাবে সেই যুক্তি দেখিয়েছেন দলটির নতুন অধিনায়ক কুশল পেরেরা। ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে দলের সবাইকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেই সাথে সবার ভেতরে আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করানোর কাজ করে যাচ্ছেন কুশল। তিনি বলেন, ‘জিততে হলে আমাদের ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতেই হবে। হেরে গেলেও ভীত হওয়া যাবে না। যদি আপনি আপনার জায়গা নিয়ে চিন্তা করেন, তাহলে শতভাগ দিতে পারবেন না। আমি খেলোয়াড়দের বলেছি, যাও এবং নিজেদের সবটা নিংড়ে দিয়ে খেলো। যদি আমরা অনুশীলনেও নির্ভীক থাকতে পারি, তাহলে ম্যাচেও সেভাবে খেলতে পারব। আমি দলকে এটাই বলেছি। যদি আমরা ভয় পাই, তাহলে আরও পিছিয়ে পড়ব। খেলোয়াড়দের মধ্যে অনেক আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করানোর চেষ্টা করছি আমি।’ নিজের খেলা সম্পর্কে কুশল বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতেই পছন্দ করি এবং এই কারণেই আমি সাফল্য পাই। যখনই আমি ভয় নিয়ে খেলি, আমি সফল হতে পারি না। আমি চাই, সবাই এভাবেই খেলুক। আপনি নিশ্চয়তা দিতে পারবেন না যে, এভাবে খেললে সফলতা আসবেই, তবে এটুকু বলতে পারবেন যে, ভালো করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।’ কীভাবে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে সেই দিকনির্দেশনাও বাতলে দিয়েছেন কুশল, ‘এই নির্ভীক চিন্তাভাবনা পাওয়ার জন্য অনুশীলনে সেভাবে কাজ করতে হবে। কারণ আপনি যদি জানেন, আসলে আপনি কোন শট খেলবেন, তাহলেই আপনি সেটা নির্ভয়ে খেলতে পারবেন। নিজের দুর্বলতা ও শক্তির জায়গা বুঝতে হবে। আমি মারলে বলটি কোথায় যাবে, আমার শটটি নিতে সমস্যা হবে কিনা- এসব আপনাকে বুঝতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনি যদি বোলার হন, তাহলে বুঝতে হবে কোন বলে উইকেট পাবেন এবং কোন বলটি করলে ডট দিতে পারবেন। এসব জিনিসই আপনাকে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে সাহায্য করবে। ফিল্ডিংয়েও আমাদের একই কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সফরে আমাদের ফিল্ডিং ইউনিট নিয়েও আমি খুবই আশাবাদী।’ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে দুই দিনের মধ্যেই (১৬ মে) বাংলাদেশে আসবে শ্রীলঙ্কা দল। আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ সুপার লিগের অংশ হিসেবে এই সিরিজ মাঠে গড়াবে আগামী ২৩, ২৫ ও ২৮ মে। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য সবকটি ম্যাচই হবে দিবারাত্রির। বাংলাদেশ সফরের জন্য শ্রীলঙ্কার ১৮ সদস্যের স্কোয়াড কুশল জেনিথ পেরেরা (অধিনায়ক), কুশল মেন্ডিস (সহ অধিনায়ক), দানুশকা গুনাথিলাকা, পাথুম নিসাঙ্কা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, আশেন বান্দারা, নিরোশান ডিকওয়েলা, দাসুন শানাকা, ইসুরু উদানা, চামিকা করুনারত্নে, লাকসান সান্দাকান, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, রমেশ মেন্ডিস, দুশমান্তা চামিরা, আকিলা ধনঞ্জয়া, শিরান ফার্নান্দো, বিনুরা ফার্নান্দো ও আসিথা ফার্নান্দো।

সর্বশেষ সংবাদ