শেখ হাসিনা ; রাজনীতির নিঃসঙ্গ শেরপা

পোস্ট করা হয়েছে 19/05/2021-09:31pm:    কবি সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল » সমস্যা হলো বাঙালি দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝে না। বাঙালি গুণীদের কদর করে না। বেঁচে থাকতে সম্মান দেয় না। মারা গেলে কান্নাকাটি করে। বাঙালিরা হাউমাউ করে কাঁদে আর দুদিন পরে ভুলে যায়। সভ্য দুনিয়ার মানুষেরা অশ্রু সংবরণ করে, ওরা আবেগকে সংযত করে। ওরা বালতি বালতি চোখের জল ফেলে না কিন্তু সম্মানের স্থানে, শ্রদ্ধার স্থলে তারা ঠিক কাজটিই করে। তারা তাদের কৃতী সন্তানদের মনে রাখে। তাদের স্মৃতি ধরে রাখার চেষ্টা করে। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিচয় করিয়ে দিতে ব্যাপক ব্যবস্থা ও উদ্যোগ নিয়ে থাকে। ওরা শুধু ব্যক্তি নয়, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সযত্নে লালন করে, সংরক্ষণ করে। পরবর্তী প্রজন্ম ও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার যাবতীয় ব্যবস্থা করে থাকে। তবে আমাদের দেশে যে একেবারে হয় না তা নয়। সবাই অকৃতজ্ঞ হলে জাতি হিসেবে দেশ হিসেবে এতটুকু অগ্রসর আমরা হতে পারতাম না। তবে তার সংখ্যা গৌরব করার মতো বেশি নয়। ভাগ্যিস বাঙালির ঘরে কিছু কিছু বরেণ্য সন্তান জন্ম নিয়েছিলেন যাঁরা এই জাতিটিকে চিন্তা, চেতনা জ্ঞানে-বিজ্ঞানে-মনুষ্যতে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। কিন্তু বাঙালি প্রাতঃস্মরণীয় ওই লোকদের খুব একটা স্মরণ করে না। এরা ঘরের ঠাকুরকে পূজা দেয় না। বাঙালির অন্যতম সমস্যাটি হলো জাতি হিসেবে পরিচিত বাঙালিরা সম্প্রদায়গতভাবে বিভক্ত। বিশেষ করে হিন্দু মুসলমান সম্প্রদায়গত বিভক্তি জাতিটিকে অনেকদূর পিছিয়ে দিয়েছে। এখনো পিছিয়ে দিচ্ছে। ধর্মের শক্ত দেয়ালটি ভেঙে এই দুই স¤প্রদায় এখনো এক হয়ে উঠতে পারেনি। অনেক মনীষী এই দেয়াল ভাঙার চেষ্টা করেছেন। পুরোটা সফল হননি। দেয়াল খানিকটা কেটে অস্থায়ী দরজা পর্যন্ত খোলা গেছে বটে তবে তা সা¤প্রদায়িক উসকানি আর উন্মাদনায় খোলা আর বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়ে গেছে। জাতির অন্যতম এই দুই সম্প্রদায়ের অভিন্ন সংগ্রাম স্বপ্ন আর সাফল্যের নাম হলো বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দুই সম্প্রদায়কে এক মঞ্চে এনেছিলেন এবং এক স্বপ্নে ও বিপ্লবে উজ্জীবিত করেছিলেন। তাদের জন্য একটি অসা¤প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ মাতৃভূমি গড়ে তুলেছিলেন। ওই একবারই। এই উপমহাদেশের ইতিহাসে হিন্দু মুসলিমরা একই সাথে। একই মন্ত্রে, একই লক্ষ্যে ও আদর্শে একটি মহাসংগ্রাম করেছিল মুক্তির লক্ষে যুদ্ধ করেছিল এবং সফল হয়েছিল। কিন্তু সে সফলতা সাড়ে তিন বছরে বেশি টেকেনি। জাতির জনককে হত্যা করে প্রতিক্রিয়াশীলরা আবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়েছিল এবং তারপর থেকে রাষ্ট্রটিকে ক্রমাগত পাকিস্তান নামক অদ্ভুত ও সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের মতই পরিচালিত করা হয়েছিল। বাঙালি মুসলমানের একটি আত্মপরিচয়ের সংকট আছে। জাতিগতভাবে তারা বাঙালি হলেও স¤প্রদায়গতভাবে মুসলিম হওয়ায় শুরু থেকে এরা আত্মপরিচয়ের বিভ্রান্তিতে ভুগেছে। এরা না পারে পুরো বাঙালি হতে না পারে পুরো মুসলিম হতে। ধর্মের সাথে পরিবর্তিত সংস্কৃতির সংঘাতের কারণেই বাঙালি মুসলমানদের সারাজীবনভর মনস্তাত্বিক লড়াইটা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। স্বাধীন বাংলাদেশ এই লড়াইয়ের পরিসমাপ্তি ঘটালেও তা বেশিদিন বজায় থাকলো না বঙ্গবন্ধুকে হত্যার কারণে। এরপর যে শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিল তারা এই জায়গাটিকে প্রথমে আঘাত করেছে এবং ঐক্যটিকে বিনষ্ট করেছে। সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে উন্মুক্ত করেছে। ধর্মীয় উন্মাদনাকে উসকে দিয়েছে। ফলে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পূর্বের বাংলাদেশ আর তারপরের বাংলাদেশের মধ্যে অনেক মৌলিক তফাৎ। শেখ হাসিনা যখন স্বামীর কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য দেশত্যাগ করছিলেন সে বাংলাদেশ আর তিনি যখন ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে ফিরে এলেন সে দেশ তখন এক নয়। তিনি ফিরে এসেছিলেন এক বিপন্ন বাংলাদেশে যেখানে সে দেশের স্থপতি, জাতির জনকের নাম উচ্চারণ নিষিদ্ধ, আওয়ামীলীগ নেতাদের ফেরারি জীবন আর জয় বাংলা এক নিষিদ্ধ স্লোগান। ১৯৮১ সালে ১৭ মে শেখ হাসিনা যদি বাংলাদেশে ফিরে না আসতেন তাহলে আজ কেমন থাকতো বাংলাদেশ? এই প্রশ্নের উত্তরে আমার ব্যক্তিগত উত্তর হচ্ছে পাকিস্তান আজ যেমন আছে তেমন কিংবা তার চেয়ে আরও খারাপ থাকতো বাংলাদেশ। কারণ ১৫ আগস্টের পর পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছিল বাংলাদেশ। আর শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল সে লক্ষযাত্রার পথে প্রথম বাধা ও প্রতিবাদ। শেখ হাসিনার রাজনীতিতে আসার কথা ছিল না। সবকিছু স্বভাবিকভাবে ঘটলে তাঁর রাজনীতিতে আসার কথা নয়। কিন্তু নিয়তি তাঁকে রাজনীতির এই কঠিন পথে নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশকে পুনঃপরিত্রাণ দিতেই বোধ হয় বাংলাদেশ তাকে ডেকে এনেছিল সেদিন। তিনি যদি সেদিন দেশে এসে আওয়ামী লীগের হাল না ধরতেন তাহলে আওয়ামীলীগ আজ আবার উঠে দাঁড়াতে পারতো না, আজকের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হতে পারতো না আর আওয়ামীলীগ না থাকলে আজকের বাংলাদেশও থাকতো না। ফলে আজ মুক্তিযুদ্ধের যে বাংলাদেশ, একাত্তরের যে বাংলাদেশ, অসা¤প্রদায়িক চেতনার যে বাংলাদেশ এবং সবশেষে সমৃদ্ধ আত্মমর্যাদাশীল জাতির যে বাংলাদেশ তাও হতো না। অন্যরা স্বীকার করুক আর না করুক একদিন ইতিহাস স্বীকার করে নেবে বাংলাদেশের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন শেখ হাসিনা। অখÐতা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিলেন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় অনেকেই গেছেন অনেকেই প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন কিন্তু নেতা হতে পেরেছেন একজনই তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ইংল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন অনেকে কিন্তু ইতিহাসে বারবার উচ্চারিত হয় চার্চিলের কথা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছেন অনেকে কিন্তু ইতিহাসে বারবার উচ্চারিত হয় আব্রাহাম লিংকনের কথা। ভবিষ্যতের ইতিহাসে জাতির পিতার পরে আর একজন নেতার নাম উচ্চারিত হবে বারবার তিনি হলেন শেখ হাসিনা। অনেক প্রধানমন্ত্রী আসবেন যাবেন, অনেকের শাসনকাল আসবে যাবে কিন্তু ২০০৯ থেকে ২১ সাল পর্যন্ত শাসনকাল বাংলার ইতিহাসে স্বর্ণকাল হিসেবে লিখিত হয়ে থাকবে। আমার মতো একজন তুচ্ছ মানুষের ততোধিক ক্ষুদ্র কলমে এখন যা লিখলাম তা পড়ে কারো কারো ঠোঁটে বক্র হাসির রেখা ফুটে উঠতে পারে হয়ত তবে তা বিলীন হয়ে যেতে বেশিকাল অপেক্ষা করতে হবে না। শেখ হাসিনা কী উন্নয়ন করেছেন, যতটুকু করেছেন তা এখানে উল্লেখ করা বাহুল্য মনে করছি কারণ তা এখন অনেকটা দৃশ্যমান। ফলে আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে, গত এক হাজার বছরে যা উন্নয়ন হয়েছে তার যোগফল করলে যত দাঁড়াবে তার চেয়েও শতগুণ বেশি উন্নতি সাধিত হয়েছে বাংলাদেশ গত দশ বছরে। নিজের বাবাকে বাবা না ডেকে ভন্ডদের ভক্তিসহকারে হাজার বার বাবা ডাকার এই সমাজে শেখ হাসিনার সঠিক মূল্যায়ন এখন দেশে হবে না। কারণ শুরুতে বলেছি। বাঙালি দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝেন না। কিন্তু বিশ্ব তাঁকে সে স্বীকৃতি অনেক আগেই দিয়ে দিয়েছে। শেখ হাসিনার নাম আজ বিশ্বনেতাদের দরবারে অত্যন্ত শ্রদ্ধা আর সমীহের সঙ্গে উচ্চারিত হয়। ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই আয়তন ছাড়িয়ে শেখ হাসিনা আজ বিশ্ববরেণ্য নেতায় অভিষিক্ত হয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন নামজাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ব সংস্থা এবং বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যমও আজ স্বীকার করে নিয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বগুণকে তাঁর দূরদর্শি চিন্তা ও দেশ পরিচালনার কৌশলকে। স্বাধীনতার পর হতদরিদ্র, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের সাথে কথা বলতেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সভায় যখন ভাষণ দিতেন এবং বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতেন তখন মনেই হতো না তিনি, অর্থাৎ শেখ মুজিবুর রহমান তৃতীয় বিশ্বের অন্যতম গরিব রাষ্ট্র বাংলাদেশের সরকার প্রধান। এর কারণ কী ছিল? কারণ হলো তিনি সেখানে গ্রেফ একজন সরকার প্রধান হিসেবে যেতেন না, যেতেন বাংলাদেশ এবং একই সাথে তৃতীয় বিশ্বের সকল নির্যাতিত বঞ্চিত মানুষের নেতা হিসেবে, মুক্তির দূত হিসেবে। আজ তারই কন্যা শেখ হাসিনাও যখন বিশ্বসভায় দুরন্ত সাহসে সত্য উচ্চারণ করেন তখন তিনিও তা শুধু বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে বলেন না ক্ষুধা, দারিদ্র্য, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়া একজন বিশ্বনেতা হিসেবেই তা উচ্চারণ করেন। আমি আগেও বলেছি এদেশের কিছু মানুষ মাহাথিরের কথা বলে, তাঁর গুণগান করে কিন্তু নিজের দেশের মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর কথা বলে না। তদ্রæপ এরা শেখ হাসিনার কথাও বলবে না। কিন্তু বিশ্বসভ্যতা এবং বিশ্বরাজনীতিতো আপন বিবেচনা ও বিচারেই পরিচালিত হয় কাজেই শেখ হাসিনার মূল্যায়ন করতে তারা ভুল করে না, দেরিও করে না। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থার স্বীকৃতি আমার সে কথার পক্ষেই বলবে। একটি তথ্য দিয়ে লেখাটি শেষ করব। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম শোনেননি এমন শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা কমই আছে বিশ্বে। বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। সেই হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনার রাজনীতি : বিচক্ষণতা ও কৌশল নিয়ে এবার গবেষণা করছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার বিষয়ক অধ্যাপক গ্রাহাম অ্যালিসন বলেন, হার্ভার্ডের কেনেডি স্কুলের ক্লাসরুমে শিক্ষকদের বক্তৃতায় বারবার উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উচ্চ রাজনৈতিক কৌশল প্রসঙ্গে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল হচ্ছে সরকার ও রাজনীতি বিভাগ। যেখানে কেবলমাত্র সরকার ও রাজনীতি নিয়ে চর্চা করা হয়। সেখানে অনেকদিন ধরেই শিক্ষকদের লেকচারে গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাজ এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বদলে যাওয়া নিয়ে চর্চা হয়ে আসছে। গ্রাহাম অ্যালিসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দারিদ্র্য থেকে উঠে আসা দেশগুলোতে সরকারের ভূমিকা বিষয়ে উদাহরণ হিসেবে “বাংলাদেশ এবং শেখ হাসিনা” প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। লেকচারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বশান্তির মডেল, যিনি জনগণের ক্ষমতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা সূচিত হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। তিনি উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের সমন্বয় করেছেন। কেনেডি স্কুলের পলিটিক্যাল লিডারশিপ এবং ডেমোক্রেটিক ভ্যালুস বিষয়ক প্রফেসর অধ্যাপক আর্থার অ্যাপলবাম তাঁর সা¤প্রতিক লেকচারগুলোতেও শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে একদল পিএইচডি শিক্ষার্থী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং শরণার্থী সমস্যা নিয়ে গবেষণা করছে। সেই গবেষণায় রোহিঙ্গা শরণার্থী গ্রহণে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার বর্ণনা করা হয়েছে। অধ্যাপক আর্থারের গবেষণায় বলা হয়েছে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঠিক সিদ্ধান্ত একটি জাতিকে নতুন উচ্চতা দেয়। তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ সম্ভবত বাংলাদেশ এবং শেখ হাসিনা। ১৯৭১ সালে তাঁর পিতা সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে বাঙালির প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আজ তাঁর কন্যা জাতিকে আবার সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বসভায় সম্মানের আসনে উত্তীর্ণ করেছেন। আমি বহুবার বলেছি, আজও বলছি, শেখ হাসিনা বাঁচলে আওয়ামী লীগ বাঁচবে। আওয়ামী লীগ বাঁচলে বাংলাদেশের অখÐতা বাঁচবে। তাই বাঙালির স্বার্থে, বাংলাদেশের স্বার্থে রাজনীতির নিঃসঙ্গ শেরপা শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু চাই। লেখক : কবি ও সাংবাদিক

সর্বশেষ সংবাদ