শিশুদের ইন্টারনেট আসক্তি ৭ উপায়ে নিয়ন্ত্রণে আনুন

পোস্ট করা হয়েছে 17/02/2021-05:56pm:    স্বর্ণালী প্রিয়া ডেক্স প্রতিবেদনঃশিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার বেড়েছে। অনেকে গেমস খেলায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। কেউ কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেকে আপডেট রাখার চেষ্টা করছে। এভাবে শিশুদের ইন্টারনেট নির্ভরতা বাড়ছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানান,শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার নিরাপদ করতে বাবা-মাকে মূলত দুটি জিনিস যোগাযোগ-মাধ্যমে রাখতে হবে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে– শিশুরা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে কোনো বিপদে পড়ছে কিনা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে– তারা কোনো আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ছে কিনা। সাইবার অ্যাবিউজ এখন খুব কমন ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। এটি একটি হুমকির জায়গা। আরেকটি হচ্ছে অ্যাডিকশন। শিশুরা তখন ইন্টারনেট ছাড়া থাকতেই পারে না বা থাকতেই চায় না। শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। জেনে নিন সমাধানের উপায়- ১. কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ ইনস্টল করুন। প্যারেন্টাল সেফ ব্রাউজার একটি অ্যাপ আছে। এটি যদি শিশুর ডিভাইসে ইনস্টল করা হয় এটি ব্যবহার করে কোনো ধরনের অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট দেখতে পারবে না শিশু। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই নিরাপত্তা-বিষয়ক কিছু অ্যাপ ইনস্টল করা উচিত। ২. প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করুন। শিশুদের যদি কোনো ডিভাইস দেওয়া হয়, তা হলে সেটিতে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ই-মেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করাটাই নিরাপদ। গুগলে একটা প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সিস্টেম আছে, যা ব্যবহার করে শিশু কী দেখছে তার ওপর নজরদারি করা সম্ভব। ৩. ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়ার সময় সচেতন হোন। কোম্পানির কাছ থেকে ইন্টারনেট সংযোগটি নেওয়া হচ্ছে তা শিশুর জন্য সেফ ইন্টারনেটের ফিচারটি আছে কিনা সেটি যাচাই করে নিন। ৪. চাইল্ড ভার্সন অপশনটি ব্যবহার করুন। ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের চাইল্ড ভার্সন আছে। সেক্ষেত্রে শিশুদের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে দেওয়া যায়, যেটি তারা ব্যবহার করলেও অভিভাবকদের সুপারভাইস করার সুযোগ থাকে। ৫. শিশুর সঙ্গে আপনিও অংশ নিন। ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় আপনিও শিশুর সঙ্গে বসুন। শিক্ষামূলক বিভিন্ন চ্যানেল ও ওয়েবসাইট রয়েছে। তাদেরকে সেগুলো দেখতে উৎসাহিত করুন। নতুন কিছু শিখতে বা তৈরি করতে তাদেরকে আগ্রহী করে তুলুন। ৬. আপনি কী দেখছেন সে বিষয়েও সতর্ক হোন। বাড়ির বাবা-মা বা প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা যদি ওই ওয়াইফাই সংযোগ ব্যবহার করে আপত্তিকর কিছু সার্চ করে বা দেখে, তা হলে সেগুলো ওই আইপি অ্যাড্রেসেই জমা হয়। ওই ইন্টারনেট ব্যবহার করে যদি বাড়ির শিশু বা অপ্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরাও কিছু ব্রাউজ করে তা হলে ওই জিনিস বা কন্টেন্টগুলো তাদেরও সামনে চলে আসে। তাই সতর্ক হোন। ৭. শিশুর ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য সময় বেঁধে দিন। শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে হলে ইন্টারনেট সংযোগ বাসায় কখন কখন থাকবে আর কখন থাকবে না, সেটির একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ
ডক্টর শাচা ব্লুমেন, ফার্স্ট সেক্রেটারী, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন, বাংলাদেশ কর্তৃক ইপসা সিভিক প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে সেই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবেনা: প্রধানমন্ত্রী এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের শোক ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে (সিএমপি) উপ-কমিশনার পদের ৮ কর্মকর্তার দফতর পরিবর্তন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম আর নেই জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে গণতন্ত্র হত্যা:সেতুমন্ত্রী আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাত করেন অষ্ট্রেলিয় হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার আগামী ১১ এপ্রিল পাপুলের আসনে উপনির্বাচন আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত জার্মানিতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়াল