চট্টগ্রাম নগরীতে লালখান বাজার ওয়ার্ডে মিঠাপাহাড়ে সবুজ সবজির সমারোহ

পোস্ট করা হয়েছে 02/02/2019-09:39am:    নগরীর ১৪ নম্বর লালখান বাজার ওয়ার্ডের টাইগারপাস মিঠাপাহাড়ের পাদদেশে বিন্না ঘাসের পাশে এবার পরীক্ষামূলকভাবে লাগানো সবজির উৎপাদন বেশ ভাল হয়েছে। ছোট ছোট প্লটসমূহে এখনো সবুজ সবজির সমারোহ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রকৌশল বিভাগ এই সবজির চাষ করেছে।নির্বাহী প্রকৌশলীরা নিজ খরচে প্রতিযোগিতামূলক এই সবজি বাগান করেছেন। চসিকের প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশে ছোট ছোট ১৭টি প্লটে ১৭ জন নির্বাহী প্রকৌশলীকে সবজি চাষের দায়িত্ব দেয়া হয়। গত ১৫ নভেম্বর থেকে সবজি চারা বা বীজ লাগানোর নির্দেশনা ছিল। কাজের প্রতিটি ধাপের জন্য আলাদাভাবে মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত ছিল। প্রথম দুই মাস মূল্যায়ন করা হয়। প্রধান প্রকৌশলী নিজে সরেজমিন পরিদর্শন করে কাজের মূল্যায়ন করেন। তবে এখনো চূড়ান্ত মূল্যায়ন হয়নি। সবজির বৃদ্ধি অর্থাৎ ফলনের জন্য রয়েছে পাঁচ নম্বর। শৃঙ্খলার জন্য পাঁচ নম্বর, উপস্থাপনার জন্য পাঁচ নম্বর, চাষের জন্য সবজির জাত নির্ধারণের উপর রয়েছে পাঁচ নম্বর এবং জমি লে-আউটের উপর রয়েছে পাঁচ নম্বর। মোট ২৫ নম্বর। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, প্লটসমূহে সবুজ সবজির সমারোহ। যে কয়েকটি প্লটে শাক চাষ করা হয়েছিল তা সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া ফুলকপি, বাধাকপি, বেগুন, কাঁচামরিচ, শালগম, গাজরসহ বেশির ভাগ সবজি এখন সংগ্রহ করার পর্যায়ে এসেছে। জানতে চাইলে চসিকের প্রধান প্রকৌশলী বলেন, সবজির সমারোহ দেখে খুবই ভাল লাগছে। এর মাধ্যমে প্রকৌশলীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি হয়েছে। একইসাথে গবেষণার কাজটিও চলছে। তাদের পরিবারের সদস্যরা এখানে এসে গেট টুগেদার করছেন। একটি সংস্থার জন্য এটি একটি ইতিবাচক দিক। প্রথম এক মাসের মূল্যায়নে তিনি তৃতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন। তিনি তার প্লটে কয়েক প্রকার সবজি লাগিয়েছেন। ফলনও ভাল হয়েছে। নিত্যদিনের কাজের ফাঁকে এই ধরনের উদ্যোগ নির্মল আনন্দ দেয় উল্লেখ করে বলেন, এই ধরনের সবজি চাষ ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দেয়।

সর্বশেষ সংবাদ