শীর্ষ সংবাদ

ডক্টর শাচা ব্লুমেন, ফার্স্ট সেক্রেটারী, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন, বাংলাদেশ কর্তৃক ইপসা সিভিক প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন

স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংঘটন “ইপসা“ কর্তৃক বাস্তবায়িত গ্লোবাল কমিউনিটি এনগেইজমেন্ট এন্ড রিজিলিয়েন্স ফান্ড-এঈঊজঋ এর আর্থিক সহায়তায় ‘‘জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ” শীর্ষক প্রকল্পের উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় যুব ক্লাব (নারী) সদস্যদের ০২-০৩মার্চ‘২০২১ ইং ০২দিন ব্যাপী জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন- ডক্টর শাচা বøুমেন, ফার্স্ট সেক্রেটারী, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন, বাংলাদেশ। পরিদর্শন শেষে ইপসা কক্সবাজার অফিসে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। ঐ সময় পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনের মাধ্যমে ইপসা সিভিক কনসোর্টিয়ামের সিভিক প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করা হয়। বর্তমান সময়ে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত উল্লেখিত কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন ও ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বলেন- জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে যে কোন দেশে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং শান্তি বজায় রাখা সম্ভব। উল্লেখিত কার্যক্রম বাংলাদেশে সুন্দরভাবে চলমান এবং বিশে^ বাংলাদেশ সরকারের ভ‚মিকা রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপিত। কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- মো: শাহজাহান, উপ-পরিচালক, ইপসা এবং খালেদা বেগম, টিম লিডার, ইপসা-সিভিক প্রকল্প এবং আঞ্চলিক প্রধান, কক্সবাজার; নাজমুল বরাত রনি, প্রকল্প সম্বয়কারী (ট্রেনিং ও ক্যাম্পেইন); বনরতœ তঞ্চজ্ঞা, প্রকল্প সমন্বয়কারী (মনিটরিং ও মূল্যায়ন) সহ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং খুরুশকুল সুখের ঠিকানা মহিলা উন্নয়ন সমবায় সমিতি লি: এর সভাপতি রুবি রুদ্র ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২০জন সক্রিয় সদস্য। উগ্রবাদ ও সহিংসতা একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এটি প্রতিরোধে সকলের যৌথ উদ্যোগ ও অংশগ্রহন প্রয়োজন। বাংলাদেশের মানুষ বরাবরই শান্তিপ্রিয়। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সমাজে অশান্তি, সহিংসতা আমাদের কারোই প্রত্যাশিত নয়। তবুও মাঝে মাঝে কিছু সুযোগসন্ধানী, স্বার্থান্বেষী মানুষ সামাজিক শান্তি, স¤প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। আর বারে বারে শান্তিপ্রিয় মানুষেরা এই সব অপচেষ্টা কৃতিত্বের সাথে রুখে দিয়েছে। দল-মত, শ্রেণী-পেশার উর্ধে উঠে বাংলাদেশের মানুষ সহিংসতা প্রতিরোধ করেছে, সমাজে শান্তির বাতাবরণ বিনষ্ট হতে দেননি। বাংলাদেশের মানুষ ঐহিত্যগত ভাবে সামাজিক স¤প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে যা বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের বড় ভিত্তি আর এটি বজায় রাখার জন্য যুবরা খুব বেশী অবদান রাখতে পারবে। এ দেশের মানুষ বরাবরই শান্তির সপক্ষে। এ উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা অতীব জরুরী এবং সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। সংবাদ প্রেরণে- (মোহাম্মদ হারুন) ইপসা।

বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে সেই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবেনা: প্রধানমন্ত্রী

আজ বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ)প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান,বিজ্ঞানী এবং গবেষকদের আরো মনোযোগের সঙ্গে মানবকল্যাণে কাজ করার আহবান জানিয়ে বলেছেন, গবেষণা ও বিজ্ঞানের বিবর্তন দেশের উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।আজ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, জাতীয় বিজ্ঞানও প্রযুক্তি ফেলোশিপ এবং বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর ওসমানী ম্মৃৃতি মিলনায়তনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান,আমি সবসময় চাই মানবকল্যাণেই কাজ করতে হবে এবং আপনারা এটা মনে রাখবেন আমরা যে ফেলোশিপ দিচ্ছি বা অর্থ বরাদ্দ করেছি সেটা কিন্তু জনগণেরই অর্থ।’‘কাজেই তা যেন জনগণের কল্যাণে লাগে সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিয়ে আপনাদের গবেষণার কাজ আপনারা চালিয়ে যাবেন।’আমাদের কৃষি নির্ভর অর্থনীতির যান্ত্রিকীকরণের প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জায়গা কম হলেও সেই জায়গার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমেই আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছি। কাজেই সেটা মাথায় রেখেই গবেষণায় আরো জোর দিতে হবে। যাতে বাংলাদেশ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবেই গড়ে উঠতে পারে, সেটাই আমরা চাই। তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি হলে দেশে এবং বিদেশেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে, আমরা সেদিকেই লক্ষ্য রাখছি। আর প্রতিটি শিল্প কারখানায় গবেষণা ও উন্নয়ন শাখাকে কার্যকরী এবং শক্তিশালী করতে হবে। তিনি বর্লেন, তাঁর সরকার ইতোমধ্যে সারাদেশে একশ’ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে। সেখানে শিল্প প্রতিষ্ঠিত হবে তাই সেখানেও গবেষণার একান্তভাবে প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণার মাধ্যমেই আমরা ব্যয় কমাতে এবং উৎপাদনের উৎকর্ষতা বাড়াতে পারি এবং বহুমুখী পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে রপ্তানি বাড়াতে পারি। রপ্তানি পণ্য বাড়ানোর জন্যও গবেষনার প্রয়োজন উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমি আশা করি নতুন নতুন পন্য সৃষ্টি এবং আমাদের রপ্তানি যেন অব্যাহত থাকে সেদিকে বিশেষভাবে আপনারা দৃষ্টি দেবেন।’ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো.আনোয়ার হোসেন স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফেলোশিপ এবং অনুদানের চেক বিজ্ঞানী ও গবেষকদের হাতে তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ইতোমধ্যে মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপন করেছে, সমগ্র বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেয়া হচ্ছে এবং এভাবেই বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে তাঁর সরকার সামনে এগিয়ে যাবে। অবকাঠামো উন্নয়নসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নেও তাঁর সরকার ব্যাপক কর্মসীূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে যার সুফল দেশবাসী পাবে, দেশের মানুষ পাবে,’ বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে সেই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবেনা। আর করোনাভাইরাস যেহেতু পারে নাই সেটা আর কেউ পারবেনা, এটাই আমার বিশ্বাস।’ জাতির পিতা মাটি ও মানুষ নিয়েই একদিন যুদ্ধবিধ্বস্থ দেশ পুনর্গঠনের কাজ হাতে নিয়েছিলেন। তাই আমরা মনেকরি এখন এটা আমাদের দায়িত্ব। তিনি স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে দেশকে রেখে গিয়েছিলেন সেখান থেকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হয়েছি এবং ভবিষ্যতে উন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করবো, ইনশাআল্লাহ। যারা ফেলশিপ পেয়েছেন তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণা এবং বিজ্ঞানের প্রসার একটি দেশের উন্নয়নে একান্ত অপরিহার্য। কাজেই আপনারা গবেষণা চালিয়ে যাবেন এবং আপনাদের পথ ধরে আগামী প্রজন্মও বিজ্ঞানের গবেষণা করবেন, সেটাই আমরা চাই। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও গবেষক তৈরির লক্ষ্যে দেশে-বিদেশে বিজ্ঞান প্রযুক্তি গবেষণা-অধ্যয়নে এমএস, এমফিল, পিএইচডি ও পিএইচডি-উত্তর প্রোগ্রামের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ’ প্রদান করা হয়। ২০১০-১১ অর্থবছর থেকে চলতি (২০২০-২০২১) অর্থবছর পর্যন্ত ৫৯৬ জনকে ১৯০ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা ফেলোশিপ প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া এমফিল, পিএইচডি ও পিএইচডি-উত্তর পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপের আওতায় ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত ১৯ হাজার ৭৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকদের মধ্যে ১২১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ফেলোশিপ প্রদান করা হয়েছে। ফেলোশিপের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন কাজে উৎসাহ ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বিজ্ঞানী ও গবেষকদের মধ্যে বিশেষ অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। গত ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৮২টি প্রকল্পের অনুকূলে ১৫২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা গবেষণা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের শোক

আজ বৃহস্পতিবার(৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক (এইচ টি) ইমাম ইন্তেকাল করেছেন। বুধবার দিবাগত রাত ১ টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্পিকার ড শিরীন শারমিন চৌধুরী। এছাড়া শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপি এবং শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এমপি। পৃথক পৃথক শোক বার্তায় তারা সকলেই এইচ টি ইমামের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রসঙ্গত, এইচ টি ইমাম দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি অসুস্থতা বাড়লে তাকে সিএমএইচে নেয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হোসেন তৌফিক ইমাম। যিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এইচ টি ইমাম নামে পরিচিত। তার বর্তমান বয়স ৮২ বছর। এইচ টি ইমামের জন্ম ১৯৩৯ সালে। বাবার চাকরি সূত্রে তার শৈশব-কৈশোর কেটেছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। শিক্ষা জীবনে এইচ টি ইমাম ম্যাট্রিক পাস করেন ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে। এরপর রাজশাহী কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি নেন। পড়াশোনা শেষে রাজশাহী সরকারি কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে পাকিস্তানে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। লন্ডনের স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে এইচ টি ইমাম পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সরকারের প্রতি আনুগত্য ত্যাগ মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এইচ টি ইমাম। এইচ টি ইমাম স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব হন এবং ১৯৭৫ সালের ২৬ অগাস্ট পর্যন্ত তিনি মন্ত্রিপরিষদের সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। এরপর ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত সাভারের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি যোগাযোগ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিবও হন। সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর এইচ টি ইমাম আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান ছিলেন এইচ টি ইমাম। এই কমিটির চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের টাইগারপাসস্থ অস্থায়ী নগর ভবনে চসিক মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে তার অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাতকালে বাংলাদেশস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জী একথা বলেন।,উন্নয়নের প্রধান পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নিশ্চিত করেছেন বলেই বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।’ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় হবে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক পুরনো। ভারত সরকার সবসময় আমাদের পাশে আছে এবং থাকবে। তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরাগান্ধী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সবধরনের সহযোগিতা করায় ভারতের অনেকেই এবং বিদেশি কোন কোন রাষ্ট্র সমালোচনা করেছিল। তিনি ওষুধ শিল্প, তৈরি পোশাক রপ্তানি শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প খাতে বাংলাদেশ বেশ ভাল অবস্থানে আছে বলে মন্তব্য করে বলেন, ক্রম বিকাশমান এই খাতগুলো বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধিতে গতিশীল এনেছে। পর্যটন শিল্প বিকাশে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্প দৃশ্যমান। এই খাতে ধারাবাহিক উন্নয়ন দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত ও সমৃদ্ধ করবে। তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে ঘিরে রিজিওনাল কোনেক্টিভিটি সংযুক্ত হলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই উপকৃত হবে। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণ, পতেঙ্গায় উপকূলবর্তী বে-টার্মিনাল এবং মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক কানেক্টিভিটির সাথে সংযুক্ত হবে এবং বৈশ্বিক আর্থিক সমৃদ্ধির অংশীদার হবে। তিনি মেয়রকে অবহিত করেন যে, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে মার্চের শেষের দিকে ভারতের একটি চৌকষ সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দল আসবে। এই দলটির সাংস্কৃতিক পরিবেশনা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পরিচালিত থিয়েটার ইনস্টিটিউট হল চট্টগ্রামে করার পরিকল্পনা আছে। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পরিচালিত টিআইসি স্থাপনার প্রশংসা করে বলেন, ছোট্ট পরিসরের হলেও এই নাট্যভূমি ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রটি অত্যাধুনিক ও নান্দনিক স্থাপনা। আমি সেখানে গিয়ে মুগ্ধ হয়েছি। এর আধুনিকায়ন ও সরঞ্জাম সংযোজনে ভারত দু’কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। পর্যাপ্ত জায়গা ও পরিসর থাকলে আরো বড় অংকের অনুদান দেয়ার আগ্রহ ছিলো। তিনি কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, অনেকেই আশংকা করেছিলেন কোভিড-১৯ সংক্রমণের ছোবলে বাংলাদেশের অবস্থা ভয়াবহ হবে। বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। বিশ্বের অনেক উন্নত ও ক্ষমতাধর দেশের চেয়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে অনেক কম। বাংলদেশ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে এবং এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে। মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা ও অবদানের জন্য সে দেশের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং অশেষ ঋণ স্বীকার করি। একাত্তরে ভারত আমাদের দেশের এক কোটি মানুষকে আশ্রয় দিয়েছিলে। তাদের সেনাবাহিনীর অনেক কর্মকর্তা ও জওয়ান প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে। এই ঋণ কোন দিন শোধ হবে না। তিনি আরো বলেন, যারা একসময় বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুঁড়ি বলে মন্দবাক্য উচ্চারণ করেছিল তারা এখন বাংলাদেশের নজিরবিহীন উন্নতি দেখে লজ্জা পায় এবং তারা স্বীকার করে যে, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি ভারতীয় সহকারী হাই-কমিশনারের চট্টগ্রাম বন্দরের বহমুখী ব্যবহারের মতামতের সাথে সহমত প্রকাশ করে বলেন, দৃঢ়ভাবে মনে করি চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহারে রিজিওনাল ও ইন্টারন্যাশনাল কানেক্িটভিটির সংযুক্তিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ।

(সিএমপি) উপ-কমিশনার পদের ৮ কর্মকর্তার দফতর পরিবর্তন

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার পদের ৮ কর্মকর্তার দফতর পরিবর্তন হয়েছে। সিএমপি সূত্র জানায়, নগর পুলিশের সিটি এসবির উপ-কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে থাকা আব্দুল ওয়ারিশকে পশ্চিম বিভাগের উপ-কমিশনার পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিএমপিতে উপ-কমিশনার হিসেবে যোগদান করা জসিম উদ্দীনকে উপ-কমিশনার পিওএম (বন্দর ও উত্তর) পদে পদায়ন করা হয়েছে। উপ-কমিশনার পিওএম (বন্দর) পদে থাকা শাকিলা সোলতানাকে উপ-কমিশনার ট্রাফিক বন্দর বিভাগে বদলি করা হয়েছে। উপ-কমিশনার ক্রাইম পদে থাকা এম এন নাসিরুদ্দীনকে ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার পদে এবং পশ্চিম বিভাগের উপ-কমিশনার পদে দায়িত্বে থাকা ফারুক উল হককে ডিবি (পশ্চিম ও বন্দর) বিভাগে উপ-কমিশনার পদে বদলি করা হয়েছে। ডিবি (পশ্চিম) বিভাগের উপ-কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করে আসা মনজুর মোরশেদকে সিটি এসবির উপ-কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া উপ-কমিশনার ট্রাফিক (বন্দর) পদে কর্মরত তারেক আহম্মেদকে উপ-কমিশনার ট্রাফিক (পশ্চিম) বিভাগে আর ট্রাফিক (পশ্চিম) বিভাগের উপ-কমিশনার জয়নুল আবেদীনকে উপ-কমিশনার ক্রাইম পদে পদায়ন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম আর নেই

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক ইমাম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি এইচ টি ইমাম নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া একটার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তাঁর মৃত্যু হয়। ফুসফুস, কিডনি, হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে এইচ টি ইমাম সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন।, ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এইচ টি ইমাম। তার বর্তমান বয়স ৮২ বছর।

জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে গণতন্ত্র হত্যা:সেতুমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান বিএনপির নেতিবাচক ও অপরাজনীতি দেশের চলমান উন্নয়ন ধারাই শুধু বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের বিকাশ।আজ সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির নব-নির্বাচিত সদস্যদের পরিচিতি ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ আলোচনা সভায় যুক্ত হন। জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে গণতন্ত্র হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আসছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধাণ সম্পাদক বলেন, ‘তারা এখনও সেই ধারাবাহিকতাই চর্চা করে চলেছে। বিএনপির নেতিবাচক ও অপরাজনীতি দেশের চলমান উন্নয়ন ধারাই শুধু বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের বিকাশ।’ তিনি বলেন, জনগণ আশা করেছিলো নির্বাচন ও আন্দোলনে ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে তোষণ ও পোষণ ত্যাগ করবে, কিন্তু তারা তা না করে উল্টো গাঁটছড়া বেঁধে আছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে সখ্যতা রেখে স্বাধীনতা সুবর্ণ জয়ন্তী পালন মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধের সাথে রসিকতা আর তামাশা ছাড়া কিছু নয়। বিএনপি’র আন্দোলন, সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন মানেই হচ্ছে সহিংসতা আর সন্ত্রাস উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণ তাদের কর্মসূচিতে এখন ভীত সন্ত্রস্ত। বিএনপি’র কর্মসূচি ঘোষণা করলে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরাও বাস পোড়ানোর ভয়ে বন্ধ করে দেয় অথচ বিএনপি দায় চাপায় সরকারের উপর। তিনি বলেন, আন্দোলন এবং নির্বাচনে ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর বিএনপি এখন পুলিশকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের জনগণই বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা বানিয়েছেন আর শেখ হাসিনাকে করেছেন বিশ্বের সেরা তিনজনের একজন সেরা রাষ্ট্রপ্রধান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ করতে বিদ্রোহী প্রার্থীদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে, -এবিষয়ে গণমাধ্যমে যে সংবাদ প্রচার হয়েছে, তা সত্য নয়। আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত এধরনের কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি, এমনকি আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী কোন সভায়ও এধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিএনপি ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়ার পরও স্থানীয় ভাবে তাদের দল সমর্থিত প্রার্থীদের প্রস্তুতি নেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে বলে জানান তিনি। ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রান্তে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা প্রমুখ। এর আগে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির নবনির্বাচিত সদস্যগণ।

আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাত করেন অষ্ট্রেলিয় হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার

আজ বুধবার(০৩ মার্চ)প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান,বাংলাদেশে করোনা মহামারীকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাংলাদেশে নবনিযুক্ত অষ্ট্রেলিয় হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার আজ গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার সমাজের সর্বস্তরের জনগণ তথা স্থানীয় প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ সকলকে কাজে লাগিয়ে সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হওয়ায় অষ্ট্রেলিয় দূত বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। ‘টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অষ্ট্রেলিয়া থেকেও এগুনো,’ অষ্ট্রেলীয় দূতের এই বক্তব্যের উদ্ধৃতি দেন প্রেস সচিব। জেরেমি ব্রুয়ার প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, অন্যান্য বিদেশী কূটনীতিকের সাথে তিনি নিজেও ঢাকাতে করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এ দিনের বৈঠকেও রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে সফল প্রত্যাবাসনে আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছি।’ অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে অষ্ট্রেলিয় দূত বলেন, তাঁরা অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো জোরদারে আগ্রহী। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অষ্ট্রেলিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের সময় যে সকল দেশ বাংলাদেশকে আগে স্বীকৃতি দিয়েছে তার মধ্যে অষ্ট্রেলিয়া অন্যতম। অষ্ট্র্রেলিয় দূত তাঁদের জাহাজযোগে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠেয় সমুদ্র যাত্রায় অংশ গ্রহণের আগ্রহ ব্যক্ত করেন। ব্রুয়ার প্রধানমন্ত্রীকে আরো অবহিত করেন যে, অষ্ট্রেলিয় ক্রিকেট দল টি-২০ সিরিজ খেলতে এ বছর বাংলাদেশ সফর করবে, তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটেরও প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তাঁর ক্রিকেটের উন্নয়নে অষ্ট্রেলিয়া থেকে সাহায্য পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ১১ এপ্রিল পাপুলের আসনে উপনির্বাচন

আজ বুধবার ( ৩ মার্চ) লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে দেশের ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন ও ১১টি পৌরসভার সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৮ মার্চ। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ ১৯ মার্চ। প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৪ মার্চ।আজ নির্বাচন কমিশন ভবনে কমিশন বৈঠক শেষ এ কথা জানান ইসি সচিব হুমায়ুন কবির খোন্দকার। সচিব বলেন, এদিন ১১টি পৌরসভা ও ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি সংসদ সচিবালয় পাপুলের সংসদ সদস্য পদ বাতিল সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে গত ২৮ জানুয়ারি থেকে তার পদ শূন্য দেখানো হয়েছে। ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় সংসদ সদস্য পদ হারান শহীদ ইসলাম পাপুল। ১১ এপ্রিল যে ১১ পৌরসভায় ভোট হবে সেগুলো হলো: পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ, দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ, ঝালকাঠির ঝালকাঠি, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, কক্সবাজারের চকরিয়া ও মহেশখালী, ফেনীর সোনাগাজী, নোয়াখালীর কবিরহাট, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট, চট্টগ্রামের বোয়ালখালী ও যশোরের নওয়াপড়া (অভয়নগর)।

আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত জার্মানিতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়াল

প্রাণঘাতি করোনায় ধুকছে ইউরোপের দেশ জার্মানি। যেখানে টিকা প্রয়োগ অব্যাহত থাকলেও থামানো যাচ্ছে না প্রাণহানি। তাই সংকট মোকাবিলায় আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত লাগাতার লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েছে মার্কের প্রশাসন। তবে এ দফায় কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে একটানা লকডাউনের কারণে জার্মানির মানুষের ধৈর্য্যের বাঁধ অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়ছে। তারপরও ভাইরাসটি নির্মুল না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে প্রশাসনকে। দেশটিতে প্রতিদিনই কয়েক হাজার মানুষের করোনা শনাক্ত হওয়ার পাশিপাশি প্রাণ হারাচ্ছেন শত শত ভুক্তভোগী। বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডমিটারের নিয়মিত পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯২ জার্মানের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে করে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২৪ লাখ ৬২ হাজার ৬১ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন ৪০১ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা আজ ৭১ হাজার ৩২৫ জনে ঠেকেছে। যদিও সুস্থতা লাভ করেছেন ২২ লাখ ৬৪ হাজার ৬শ’ রোগী। সর্বোচ্চ সংক্রমণের দিক থেকে দশ নম্বরে অবস্থান করছে অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের দেশ। অন্যদিকে আছে করোনার নতুন স্ট্রেইনের ভয়। প্রতিদিনই ১৬টি অঙ্গরাজ্যের কোথাও না কোথাও নতুন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। এসব কিছু বিবেচনা করেই ৭ মার্চের লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে ২৮ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে সংক্রমণ পরিস্থিতি কিছুটা কমায় লকডাউনের বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। লকডাউন চললেও খুলে দেয়া হয়েছে গ্রন্থাগার, বই পুস্তকের দোকান, নার্সারি বা গাছের চারা বিক্রির দোকান ও সেলুন। এমন সিদ্ধান্তে খুশি দেশটির নাগরিকরাও। লকডাউনের আগে একাধিক জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী দোকানবাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ আবার খোলার পক্ষে মত দেন জার্মানির অধিকাংশ নাগরিক। দৈনিক সংক্রমণের হার যথেষ্ট কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। করোনাভাইরাসের ছোঁয়াচে সংস্করণগুলি সংক্রমণের ‘তৃতীয় ঢেউ’-এর আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এদিকে যথেষ্ট সংখ্যায় করোনার টিকা সরবরাহ এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব না হওয়ায় অনেক নতুন প্রস্তাব শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে অ্যাস্ট্রাজেনিকা কোম্পানির তৈরি টিকা সম্পর্কে জার্মানিতে সংশয়ের আলোকে সব মানুষের জন্য এই টিকা নেবার সুযোগ করে দেবার পরামর্শ দিচ্ছে কিছু মহল। সংশয় দূর করতে খোদ চ্যান্সেলর ম্যার্কেল লাইভ টেলিভিশনে সেই টিকা গ্রহণ করুন, এমন প্রস্তাব উঠে আসছে। এখনো পর্যন্ত তিনি বয়সের কারণে সেই টিকা নেবার বিষয়ে দ্বিধা প্রকাশ করেছেন, কারণ জার্মানিতে ৬৫ বছরের বেশি মানুষদের সেই টিকা না দেবার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ যত বেশি সম্ভব মানুষকে আপাতত টিকার প্রথম ডোজ দেবার পক্ষে সওয়াল করছেন। তারা একাধিক গবেষণার ফলাফল উল্লেখ করে মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, ফাইজার-বায়োননেক এবং মডার্নার টিকার প্রথম ডোজই যথেষ্ট সুরক্ষা দিচ্ছে। এখনো পর্যন্ত জার্মানিতে সব ব্যক্তির জন্য দুটি করে ডোজ দেবার নীতি চালু রয়েছে৷ করোনা সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্তে কড়াকড়িও বাড়ানো হচ্ছে। ফ্রান্সের মোজেল জেলায় মারাত্মক পরিস্থিতির কারণে মঙ্গলবার থেকে জার্মানিতে অবাধ প্রবেশের সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। সেই অঞ্চলে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা করোনা সংস্করণ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে৷ এর আগে চেক প্রজাতন্ত্র ও অস্ট্রিয়া সীমান্তের কিছু অংশকেও এমন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার তালিকায় রাখা হয়েছিল৷ ফ্রান্স এমন একতরফা সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষই সীমান্তে সমন্বয়ের প্রশ্নে ঐকমত্যে এসেছে।

লাইভ টিভি

ওয়ার্ড পরিক্রমা

আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশিষ্ট বিদ্যুৎসাহী সমাজকর্মী, স্কাউট আন্দোলন এর কর্ণধার ও আলোর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাতা ও বসুন্ধরা শিশু কিশোর সংগঠন এর উপদেষ্টা আবু তাহের সর্দারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, প্রিয় স্যারের প্রতি আবু তাহের সর্দার স্মরণ সভা কমিটির উদ্যোগে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, বলেন আবু তাহের সর্দার সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকবেন। জন্মিলে মরিতে হবে এটি চিরন্তন সত্য। তবুও মানুষ তাঁর সৎকর্মের মাধ্যমে চিরকাল স্বরণীয় হয়ে থাকতে পারে। সেজন্য যাঁরা কীর্তিমান তাঁরা তাঁদের সেবামুলক কাজের মাধ্যমে মানবসমাজে বেঁচে থাকেন বহু যুগ যুগ ধরে। তিনি বলেন, এ নশ্বর পৃথিবীতে সবই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। অর্থাৎ, কোনো মানুষই পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকতে পারে না। সেজন্য দেশ ও মানবকল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়ার মধ্য দিয়েই আবু তাহের সর্দার অমর হয়ে থাকবেন এ রাষ্ট্র সমাজে। এ জনসমাগম স্মরণ সভা থেকে তা বুঝ যায় তিনি কতবড় ত্যাগী মানুষ ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৬৩ বছর এ রাষ্ট্র সমাজের জন্য শ্রম দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্ত মনের বিস্ময় প্রতিভা মানুষ ছিলেন আবু তাহের সর্দার। বক্তরা বলেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশাকে লাঘব করতে আবু তাহের সর্দারের প্রচেষ্টা অতুলনীয়; সমাজের আলোক বর্তিকা হয়ে তিনি সমুজ্জ্বল। আবু তাহের সর্দারের কর্মজীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজ বিনির্মানে তরুনদের এগিয়ে আসার শপথ নিতে হবে। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসেম, বখতিয়ার উদ্দীন সহ মরহুমের শুভানুধ্যায়ীরা।

খেলা

আজ নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে টাইগাররা আজ মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি)করোনার কারণে দীর্ঘদিন পর বিদেশ সফরে যাচ্ছে টাইগারবাহিনী।আজ বিকেলে সিঙ্গাপুর এয়ারওয়েজে চড়ে নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে জাতীয় ক্রিকেট দল। নিউজিল্যান্ড সফরে টেস্ট সিরিজ নেই। সমান তিনটি করে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। তবে ভিনদেশি কন্ডিশনের জন্য এবার দেশ থেকে নিজেদের সেভাবে প্রস্তুত করে যেতে পারেনি বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লড়ার আগে তাদের মাঠেই প্রস্তুতি নিতে হবে টাইগারদের। সিরিজ আগামী মাসে শুরু হলেও, কোয়ারেন্টিন জটিলতা ও কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে বেশ আগেই নিউজিল্যান্ড যাচ্ছে টাইগাররা। সেখানে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অনুশীলন করবে বাংলাদেশ দল। এরপর ২০ মার্চ থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। প্রথম ওয়ানডে হবে ডানেডিনে। এরপর ২৩ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ওয়ানডে। শেষ ওয়ানডেটি ২৬ মার্চ ওয়েলিংটনে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে ২৮ মার্চ হ্যামিল্টনে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি হবে নেপিয়ারে ৩০ মার্চ। অকল্যান্ডে ১ এপ্রিল সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি। সিরিজের জন্য এরই মধ্যে ২০ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। পারিবারিক কারণে নিউজিল্যান্ডে যাচ্ছেন না সাকিব আল হাসান। তার পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। বাংলাদেশ স্কোয়াড : তামিম ইকবাল, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহীম, মোহাম্মদ মিঠুন, লিটন দাস, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন ধ্রুব, সৌম্য সরকার, নাঈম শেখ, তাসকিন আহমেদ, আল আমিন হোসেন, শরিফুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, শেখ মেহেদি হাসান, রুবেল হোসেন, নাসুম আহমেদ।

সর্বশেষ সংবাদ
ডক্টর শাচা ব্লুমেন, ফার্স্ট সেক্রেটারী, অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন, বাংলাদেশ কর্তৃক ইপসা সিভিক প্রকল্প কার্যক্রম পরিদর্শন বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে সেই অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবেনা: প্রধানমন্ত্রী এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের শোক ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকবে (সিএমপি) উপ-কমিশনার পদের ৮ কর্মকর্তার দফতর পরিবর্তন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম আর নেই জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে গণতন্ত্র হত্যা:সেতুমন্ত্রী আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাত করেন অষ্ট্রেলিয় হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার আগামী ১১ এপ্রিল পাপুলের আসনে উপনির্বাচন আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত জার্মানিতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়াল