ভারতে যাবে এলপিজি, প্রাকৃতিক গ্যাস নয়: প্রধানমন্ত্রী

পোস্ট করা হয়েছে 09/10/2019-04:08pm:    আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন ভারতের সঙ্গে গ্যাস রপ্তানির যে চুক্তি হয়েছে সেটা প্রাকৃতিক গ্যাস নয়, আমদানি করা এলপি গ্যাস বলে জানিয়েছেন আমরা ভারতকে যে গ্যাস দিব তা আমাদের নিজেদের গ্যাস না। আমরা দেশের কোনো প্রাকৃতিক গ্যাস ভারতকে দিচ্ছি না। এলপিজি প্রাকৃতিক গ্যাস না। এটা দেশের উৎপাদন হয় না। আমরা আমদানী করে এ গ্যাস ভারতকে দিচ্ছি। যার ফলে আমাদের রপ্তানি তালিকায় আরো একটা আইটেম যুক্ত হচ্ছে। এতে দেশের কোনো স্বার্থ ক্ষুন্ন হচ্ছে না। সাম্প্রতিক ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের উৎসাহী করতেই আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। এটা আমরা উন্মুক্ত করে দেওয়াতে অল্প দামে পাওয়া যাচ্ছে। দেশে বর্তমানে ২৬টি কোম্পানি কাজ করছে। ১৮টি কোম্পানি গ্যাস উৎপাদন করছে। আমরা আমদানি করে সে গ্যাসই ত্রিপুরা দিচ্ছি। এখানে আমাদেরই লাভ হচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশের কতো গ্যাস আছে, সেটা গবেষণা করে না বের করা পর্যন্ত আমি বিক্রি করতে পারি না। আমি দেশের স্বার্থ বিরোধী কোন কাজ করতে পারি না। যুক্তরাষ্ট্রের অনেকেই গ্যাস বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে যুক্তরাষ্ট্রের অনেকেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আমাকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও আমি একই কথা বলেছিলাম। একদল গবেষক সার্ভে করে জানিয়েছিলো প্রাকৃতিক গ্যাস বিক্রি করা যাবে। আমি তখন সঠিক তথ্য জানতে চাইলে গবেষকদল কতো গ্যাস আছে তা সঠিকভাবে বলতে পারেনি। বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে তা কখনো হতে পারেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ত্রিপুরা থেকে আমরা বিদ্যুৎ কিনছি। ভারতের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক অনেক আগে থেকেই। বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের ভারত অর্থনৈতিক সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে গত ৩ থেকে ৬ অক্টোবর এই ৪ দিনের সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন শেখ হাসিনা। এ সময় দুই দেশের মধ্যে সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত এবং তিনটি যৌথ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)-এর ৭৪ তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশে তিনি ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। যুক্তরাষ্ট্র সফরে এবার দুটি সম্মাননা পেয়েছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের জন্য গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাক্সিস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই) তাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ সম্মাননায় ভূষিত করেছে। আর তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘ শিশু তহবিল- ইউনিসেফ তাকে ভূষিত করেছে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ সম্মাননায়। অপরদিকে দিল্লিতে ‘টেগর শান্তি পুরস্কার’ পেয়েছেন তিনি।/

সর্বশেষ সংবাদ